1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে, - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ ১০ বছর পর ১৯ অক্টোবর খুলছে ওসমানী উদ্যান; উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে,

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮৫ বার পঠিত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

একই সঙ্গে লাশ গুমের কাজে সহযোগিতার দায়ে তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে রূপগঞ্জ উপজেলার কালাদিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা হেকমতকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।
নিহত হেকমত ও আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ যৌথভাবে একটি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যবসার অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে সবুজ কৌশলে হেকমতকে ডেকে নিয়ে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে এবং পরে তাকে হত্যা করে।
হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে একটি ড্রাম কিনে তার ভেতরে লাশ রেখে উপরে সিমেন্ট ঢেলে দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ড্রামটি একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাল থেকে সিমেন্টভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম ভেঙে ভেতর থেকে হেকমতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার আরেক আসামি (সবুজের বাবা) বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা আবসান করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম
এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তারা আংশিক সন্তুষ্ট। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে একাধিক ব্যক্তি মিলে সংঘটিত করেছে।
প্রধান আসামির ফাঁসির রায়ে আমরা কিছুটা সন্তুষ্ট। তবে সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করেছে। সবুজ দায় নিজের ওপর নিলেও অন্যদেরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। আমরা সামনে উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার আশা করছি। বাকি আসামীদের শাস্তির জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব বলে জানান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV