1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচিতে বিস্কুট সরবরাহ বন্ধের শঙ্কা, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ ১০ বছর পর ১৯ অক্টোবর খুলছে ওসমানী উদ্যান; উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচিতে বিস্কুট সরবরাহ বন্ধের শঙ্কা, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চলমান ফিডিং কর্মসূচিতে ফোর্টিফাইড বিস্কুট সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা চুক্তির মেয়াদ আজ ৪ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা। নতুন করে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঠিকাদার নিয়োগে আরও সময় লাগবে। এ অবস্থায় শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিশুদের জন্য পুষ্টিকর বিস্কুট সরবরাহ যাতে কোনোভাবেই বন্ধ না হয়, সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের চিঠিতে। কারণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কর্মসূচির আওতাভুক্ত লক্ষ লক্ষ শিশু নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার ১৫০টি উপজেলায় কার্যক্রম চলছে। এর মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। প্রথম ধাপে ফোর্টিফাইড বিস্কুট সরবরাহের জন্য বিভাগভিত্তিক ৮টি প্যাকেজে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক বছরের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি করা হয়েছিল।  চুক্তির মেয়াদ আজ ৪ অক্টোবর শেষ হবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন করে e-GP-তে টেন্ডার আহ্বান করা হলেও টেন্ডার ওপেনিং ২১ দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে নির্বাচিত ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি ও কার্যাদেশ প্রদান ৪ অক্টোবরের আগে সম্ভব হবে না। এ কারণে বিদ্যালয় পর্যায়ে ফোর্টিফাইড বিস্কুটের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সাময়িকভাবে বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আমিনের মুঠোফোনেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মধ্যবর্তী সময়ে বর্তমান সরবরাহকারীদের মাধ্যমে বিস্কুট সরবরাহ অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের চিঠিতে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ সাময়িকভাবে বাড়ানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিষয়টি শুধু একটি সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ার সময়সীমা নয়; এর সঙ্গে সরাসরি কয়েক লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার বিষয়টি জড়িত। তাই নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং কোনো অবস্থাতেই শিশুদের পুষ্টিকর বিস্কুট সরবরাহ বন্ধ না হওয়াই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হলেও চুক্তিমূল্য বৃদ্ধি পাবে না। একই সঙ্গে নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করে নতুন ঠিকাদার নির্বাচন করা সম্ভব হলে বর্তমান চুক্তির আওতায় আর কোনো কার্যাদেশ দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, সংযুক্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৮ বিভাগের ৬২ জেলার নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। দেশে বর্তমানে ১৯ হাজার ৮৪১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। প্রায় ৩০ থেকে ৩১ দশমিক ৩ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে বলে ওই তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ কর্মসূচির আওতায় ৮টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বছরে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮৩টি ৭৫ গ্রাম ওজনের প্যাকেট বিস্কুট বিতরণের পরিকল্পনার কথাও সংযুক্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ফলে চলমান ফিডিং কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে প্রতীয়মান হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV