1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
মার্কিন-ইরান মধ্যস্থতা নিয়ে পাকিস্তানে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ ১০ বছর পর ১৯ অক্টোবর খুলছে ওসমানী উদ্যান; উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন-ইরান মধ্যস্থতা নিয়ে পাকিস্তানে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪২ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক ও মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহে ইসলামাবাদ সফরে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

মঙ্গলবার পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, সফরে পাকিস্তানের ‘কূটনৈতিক ও মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা’ নিয়ে আলোচনা করবেন গুতেরেস। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ এগিয়ে নিতে ইসলামাবাদের ভূমিকা গুরুত্ব পাবে।

সফরকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রশংসা জাতিসংঘের
গুতেরেসের সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুতেরেসের সফর ইসলামাবাদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনায় পাকিস্তানের ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গুতেরেসের মুখপাত্র বলেন, পাকিস্তানের নেতৃত্বের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার প্রতি মহাসচিব কৃতজ্ঞ এবং তিনি মনে করেন, সংঘাত বন্ধে ইসলামাবাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার মধ্য দিয়ে যে সমঝোতার উদ্যোগ তৈরি হয়েছিল, তা সংঘাত কমানো এবং খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

যুদ্ধ থামাতে সংলাপের আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘ শুরু থেকেই সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনীতি ও আলোচনার ওপর জোর দিয়ে আসছে।

জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলোতে গুতেরেস বারবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তার অবস্থান হলো, সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের বিকল্প নেই।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি ঘোষণার পর গুতেরেস সেটিকে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সেই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতার, মিসর, সৌদি আরব ও তুরস্কের ভূমিকারও প্রশংসা করেছিল জাতিসংঘ।

তবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতির আবার অবনতি হওয়ায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

ইসলামাবাদে কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?
গুতেরেসের পাকিস্তান সফরে মূলত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার বর্তমান অবস্থা, পাকিস্তানের মধ্যস্থতার পরবর্তী ধাপ এবং সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ।

পাকিস্তান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগের একটি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদ মনে করে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; জ্বালানি, খাদ্য, বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপরও এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।

জাতিসংঘও সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম, বাণিজ্যপথ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে বাধা তৈরি হলে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

গুতেরেসের আগের পাকিস্তান সফর
গুতেরেসের এর আগে সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিলেন ২০২২ সালে। সে সময় ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত দেশটির পরিস্থিতি দেখতে তিনি পাকিস্তান সফর করেন।

চার বছর পর তার নতুন সফরটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হচ্ছে। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগই সফরের আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক যোগাযোগও বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে ইসলামাবাদের উদ্যোগের বিষয়ে গুতেরেসের কার্যালয় নিয়মিতভাবে অবহিত হচ্ছে এবং পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।

গুতেরেসের ইসলামাবাদ সফর তাই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV