1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে, - JTV
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আলী নির্বাচিত পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে বিডি ক্লিন: মীর শাহে আলম মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে ইরানের হামলা আর্জেন্টিনা-স্পেনের মুখোমুখি পরিসংখ্যান কী, সবশেষ দেখায় জিতেছিল কোন দল? শেষের ম্যাজিকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণই সফলতার চাবিকাঠি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে দুরন্ত স্পেন স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন, মীর শাহে আলম বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, কোথায় কখন খেলা করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ: তারেক রহমান

আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে,

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১২১ বার পঠিত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

একই সঙ্গে লাশ গুমের কাজে সহযোগিতার দায়ে তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে রূপগঞ্জ উপজেলার কালাদিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা হেকমতকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।
নিহত হেকমত ও আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ যৌথভাবে একটি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যবসার অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে সবুজ কৌশলে হেকমতকে ডেকে নিয়ে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে এবং পরে তাকে হত্যা করে।
হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে একটি ড্রাম কিনে তার ভেতরে লাশ রেখে উপরে সিমেন্ট ঢেলে দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ড্রামটি একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাল থেকে সিমেন্টভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম ভেঙে ভেতর থেকে হেকমতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার আরেক আসামি (সবুজের বাবা) বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা আবসান করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম
এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তারা আংশিক সন্তুষ্ট। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে একাধিক ব্যক্তি মিলে সংঘটিত করেছে।
প্রধান আসামির ফাঁসির রায়ে আমরা কিছুটা সন্তুষ্ট। তবে সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করেছে। সবুজ দায় নিজের ওপর নিলেও অন্যদেরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। আমরা সামনে উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার আশা করছি। বাকি আসামীদের শাস্তির জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব বলে জানান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV