1. admin@jtv.news : admin :
আমলাতন্ত্রের একটি অংশ উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ে বেশি প্রভাবশালী: ইফতেখারুজ্জামা - JTV
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধে মরিয়া ইউরোপ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ‘ট্রেড বাজুকা’ ! অবহেলিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনকে বাসযোগ্য করতে চান ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন সুতা আমদানিতে শুল্ক চায় না বিজিএমইএ-বিকেএমইএ নির্বাচনী ব্যানার-বিলবোর্ড তৈরিতে বিএনপির নির্দেশনা ভোট হবে নিরপেক্ষ, কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না: সেনাপ্রধান বিসমিল্লাহ সারাজীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা গাজার ‘শান্তি পর্ষদে’ ভারত-পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির বৈঠক বিকেলে এলপিজি নিয়ে বড় সুখবর ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি ইসির সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি চলছে বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচনে আশাবাদী সন্ধ্যায় জানা যাবে শবেবরাত কবে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ

আমলাতন্ত্রের একটি অংশ উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ে বেশি প্রভাবশালী: ইফতেখারুজ্জামা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত
ছবি সংরক্ষিত

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ে আমলাতন্ত্রের একটি অংশ বেশি প্রভাবশালী বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, উপদেষ্টা পরিষদ কোন কাগজে স্বাক্ষর করবে, কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, সেটি আসলে উপদেষ্টা পরিষদ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ সিদ্ধান্ত নেন আমলাতন্ত্রের ভেতরের অত্যন্ত ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা।

আজ সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ প্রণয়নে সংস্কারবিমুখতা’ শীর্ষক টিআইবির একটি পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব অধ্যাদেশ প্রণীত হয়েছে, তার মধ্যে দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সব ক্ষেত্রে প্রতিরোধক মহল, বিশেষ করে আমলাতন্ত্রের প্রভাবশালী মহলের অন্তর্ঘাতমূলক অপশক্তির কাছে সরকার নতিস্বীকার করেছে। ফলে সংস্কার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।

সরকারের নতিস্বীকার করার কারণ জানতে চান একজন সাংবাদিক। জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর তাঁর কাছে নেই। তবে দীর্ঘ সময় সরকারকে কাছ থেকে দেখে তিনি বুঝেছেন, কোন সিদ্ধান্তে কোন উপাদান থাকবে, কোনটি থাকবে না, তা নির্ধারণ করে দেয় আমলাতন্ত্রের প্রভাবশালী অংশ। এ ক্ষেত্রে শুধু তাদের গোষ্ঠীস্বার্থ নয়, বরং রাজনৈতিক স্বার্থেরও প্রতিফলন ঘটে।

টিআইবির উপস্থাপনায় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া অধ্যাদেশগুলোর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, সামান্য কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া সরকার একতরফাভাবে অংশীজনদের সম্পৃক্ত না করে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খসড়া অধ্যাদেশ স্বল্প সময়ের জন্য লোকদেখানোভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে দায় কাটানো হয়েছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কিছু ক্ষেত্রে অনেক প্রতিকূলতা কাটিয়ে, এমনকি বিরাগভাজন হয়ে কোনো কোনো অংশীজন অধিপরামর্শের সুযোগ করে নিয়েছে। তবে সেসব ক্ষেত্রেও তাদের প্রতিশ্রুত সংশোধন কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া অবহেলিত হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো অংশীজনদের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে অপপ্রচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সাইবার সুরক্ষা, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি অধ্যাদেশগুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থের তুলনায় আমলাতন্ত্রসহ ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র ও জবাবদিহিহীন কর্তৃত্বের চর্চা অব্যাহত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার সার্বিকভাবে আইন প্রণয়ন ও জনস্বার্থ–সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত স্বচ্ছতা ও স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের চর্চার উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারেনি।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ JTV
Theme Customized By JTV