1. admin@jtv.news : admin :
মধ্যপ্রাচ্য সংকট: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রস্তুতি চূড়ান্ত - JTV
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধে মরিয়া ইউরোপ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ‘ট্রেড বাজুকা’ ! অবহেলিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনকে বাসযোগ্য করতে চান ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন সুতা আমদানিতে শুল্ক চায় না বিজিএমইএ-বিকেএমইএ নির্বাচনী ব্যানার-বিলবোর্ড তৈরিতে বিএনপির নির্দেশনা ভোট হবে নিরপেক্ষ, কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না: সেনাপ্রধান বিসমিল্লাহ সারাজীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা গাজার ‘শান্তি পর্ষদে’ ভারত-পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির বৈঠক বিকেলে এলপিজি নিয়ে বড় সুখবর ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি ইসির সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি চলছে বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচনে আশাবাদী সন্ধ্যায় জানা যাবে শবেবরাত কবে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

ইরানে বিক্ষোভ ইস্যুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায় থেকে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি অব্যাহত রয়েছে। কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হতো, সেটাও এখন বন্ধ। এতে বেড়েছে আরেকটি বড় যুদ্ধের শঙ্কা। ভারত, পাকিস্তান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে।

চলমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ’ নেবেন। অন্যদিকে তেহরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারা মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাবে। ইরানজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তেহরান থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক জানান, শহরের পরিস্থিতি থমথমে।

ইরানের বিক্ষোভকে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে বর্ণনা করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, চীন ইরানকে সমর্থন করে ও প্রত্যাশা করে, ইরানের সরকার ও জনগণ চলমান কঠিন সময় পার করবে এবং স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

সম্ভাব্য হামলা নিয়ে সতর্ক ইসরায়েলও। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফ্রিন সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, আকস্মিক পরিস্থিতির বিষয়ে তারা সতর্ক।

তিনি বিক্ষোভকে ‘ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে বর্ণনা করেন। তবে ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেছেন, ইসরায়েলের উচিত ‘অদৃশ্য হাতে’ ইরানের বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করা।

সম্ভাব্য সামরিক হামলা নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। তুরস্ক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানে সামরিক অভিযানের শঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ  বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ সম্ভাব্য। তাদের মধ্যে একজন বলেছেন, এক দিনের মধ্যেই এ হামলা হতে পারে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, মনে হচ্ছে, ট্রাম্প সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার বিবিসি জানায়, সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-সহিংসতায় অন্তত দুই হাজার ৪০০ সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার হন বিক্ষোভকারীদের অন্যতম নেতা এরফান সোলতানি। তার মৃত্যুদণ্ড ইরানের কর্তৃপক্ষ কার্যকর করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনায় নেমেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সিবিএস নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা (ইরান) তাদের (বিক্ষোভকারী) ফাঁসি কার্যকর করে, তাহলে আপনারা কিছু বিষয় দেখতে যাচ্ছেন। তারা যদি এমনটা করে, তবে আমরা অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নেব।’ এর আগে গত মঙ্গলবার ট্রাম্প বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিনি সহায়তা করতে আসছেন। ওই বক্তব্যের পরই ইরানে হামলার শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়।

ইরানে বিক্ষোভে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উস্কানির বিষয়টি অতীতে গোপন থাকলেও এবার তা স্পষ্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি বিক্ষোভকারীদের সমর্থন ও সহযোগিতার কথা বলছেন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অস্ত্র সরবরাহ ও উস্কানির অভিযোগ রয়েছে।

প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের মার্কিন হামলার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে থাকা তাদের ঘাঁটিগুলো থেকে স্টাফদের সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। সাধারণত যুদ্ধের প্রস্ততিলগ্নে এ ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি কাতারে। সেই আল ইউদেইদ ঘাঁটি থেকে কিছু স্টাফ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকাল এক বিবৃতিতে কাতার বলেছে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার জেরে এ স্টাফদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

এর আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, আল ইউদেইদ সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু সংখ্যক স্টাফকে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ঘাঁটিতে অন্তত ১০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক ও সামরিকবিষয়ক সাবেক সহকারী সচিব মার্ক কিমিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে। তবে স্থল আক্রমণের পরিকল্পনার সম্ভাবনা কম। আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, (আধা সামরিক) বাসিজ বাহিনীর প্রধান ও ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের প্রধানের মতো নিরাপত্তা বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান হতে পারে, যেমনটা ২০২০ সালে আমরা সোলাইমানির সঙ্গে করেছিলাম।’

উচ্চ সতর্কতায় ইরান
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইরান কেবল নিজ দেশেই নয়, বরং পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে। ইরানের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে আলজাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে হামলার ক্ষেত্রে ইরান বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় জন্য প্রস্তুত। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গতকাল বলেন, ইরান ‘এ অঞ্চলে আগুন ধরিয়ে দেবে’। এটা মার্কিন মিত্রদের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী বার্তা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলের ভূখণ্ড ‘আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হতে চলেছে।

শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ার অঙ্গীকার ইরানের প্রতিরক্ষাপ্রধানের
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, ইরানের ওপর আক্রমণকারী যে কোনো শত্রুর জন্য ‘অনেক বিস্ময়’ অপেক্ষা করছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ব্যাপক অস্থিরতার পর ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে জোরদার করে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ মন্তব্য করেন। প্রেস টিভি জানায়, নিরাপত্তাবিষয়ক এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘যদি এ হুমকি কার্যকর করা হয়, তবে আমরা পূর্ণ শক্তি দিয়ে ও রক্তের শেষ বিন্দু পর্যন্ত দেশকে রক্ষা করব। আমাদের প্রতিরক্ষা হবে তাদের জন্য বেদনাদায়ক।

তিনি ইরানের ওপর যে কোনো হামলায় সহায়তা প্রদানকারী দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেন, এসব দেশ ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে’। গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর সামরিক উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েল সর্বদা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনে: আরাগচি 
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইসরায়েল সর্বদা ‘তার পক্ষে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনার’ চেষ্টা করেছে। মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘এখন যেহেতু আমাদের সড়ক রক্তাক্ত হয়ে গেছে, ইসরায়েল প্রকাশ্যে ও গর্বের সঙ্গে বলছে, তারা বিক্ষোভকারীদের যুদ্ধের অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করেছে। এটিই শত শত মৃত্যুর কারণ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এখন জানা উচিত, রক্তপাত বন্ধ করার জন্য কোথায় যেতে হবে।’

এরফানের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের
বিবিসি ফার্সি জানায়, বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানিকে ইরানের আদালত মাত্র দুই দিনে অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেন। যে কোনো সময় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে বলে শঙ্কা তাদের। এ মৃত্যুদণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ রেপোর্টার মাই সাতো। তিনি এটাকে ‘বেআইনি’ ও ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে’ বলে বর্ণনা করেন।

ইরান যেভাবে বিক্ষোভ মোকাবিলা করেছে, তার প্রতিবাদ জানাতে স্টকহোমে থাকা দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে সুইডেন। তারা বিক্ষোভকারীদের ‘শান্তিপূর্ণ’ বর্ণনা করেছে। আলজাজিরা জানায়, দুই সপ্তাহ ধরে চলা ওই বিক্ষোভে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর শতাধিক সদস্যও নিহত হন। বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের একাংশ মুখোশধারী; তাদের কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্র।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজায় লাখো মানুষ
সহিংস বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্মরণে গতকাল বুধবার তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রাস্তায় হাজার হাজার শোকার্ত ব্যক্তি জড়ো হন। অনেককেই ইরানের পতাকা, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও তাদের মৃত স্বজনের ছবি ধরে থাকতে দেখা যায়। ইরানের পতাকায় মোড়ানো কফিনগুলো বড় ট্রাকের পেছনে স্তূপীকৃত ছিল। সেগুলো লাল-সাদা গোলাপ ও নিহতদের ফ্রেমযুক্ত ছবি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল।

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে, সড়কে শূন্যতা
ইরানে গতকাল বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি জানান, ইরানে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে হচ্ছে। গত দু-তিন দিনে কোনো বড় অস্থিরতা দেখা যায়নি। মাঠের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইজাদি আলজাজিরাকে বলেন, ‘গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আমি কোনো বিক্ষোভ দেখিনি। কোনো দাঙ্গা দেখিনি।’

চলমান ইন্টারনেট বিধিনিষেধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ। ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সময়ও এমনটা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টরা যোগাযোগের জন্য ইরানের অবকাঠামো ব্যবহার করেছিল। তারা একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার পরিচালনা করেছিল, যা পরে আবিষ্কৃত হয়।’ তিনি বলেন, ‘বিক্ষোভের সময় ব্যবসা বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় বেশ কয়েকজন দাঙ্গাবাজ দোকানদার ও পুলিশের ওপর গুলি চালাচ্ছিল। দাঙ্গাবাজরা যে দোকানদারদের হত্যা করছে– এর প্রমাণ আমাদের আছে।’

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ JTV
Theme Customized By JTV