1. admin@jtv.news : admin :
আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে, - JTV
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে প্রণয় ভার্মার বৈঠক রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ এমপি মিলনের ইরানের হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের ঈদে ছুটি টানা ৭ দিন শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল ৬ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ২১০ ফ্লাইট বাতিল, জানাল শাহজালাল বিমানবন্দর পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কী?

আদালতে আসামিরা সাংবাদিকদের বললেন, ক্যামেরা নেই ,গরিব, মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে,

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৪ বার পঠিত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

একই সঙ্গে লাশ গুমের কাজে সহযোগিতার দায়ে তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে রূপগঞ্জ উপজেলার কালাদিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা হেকমতকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।
নিহত হেকমত ও আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ যৌথভাবে একটি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যবসার অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে সবুজ কৌশলে হেকমতকে ডেকে নিয়ে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে এবং পরে তাকে হত্যা করে।
হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে একটি ড্রাম কিনে তার ভেতরে লাশ রেখে উপরে সিমেন্ট ঢেলে দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ড্রামটি একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাল থেকে সিমেন্টভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম ভেঙে ভেতর থেকে হেকমতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার আরেক আসামি (সবুজের বাবা) বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা আবসান করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম
এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তারা আংশিক সন্তুষ্ট। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে একাধিক ব্যক্তি মিলে সংঘটিত করেছে।
প্রধান আসামির ফাঁসির রায়ে আমরা কিছুটা সন্তুষ্ট। তবে সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করেছে। সবুজ দায় নিজের ওপর নিলেও অন্যদেরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। আমরা সামনে উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার আশা করছি। বাকি আসামীদের শাস্তির জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব বলে জানান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV