সরকার ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ চলমান রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। যতক্ষণ পর্যন্ত দায়িত্বে আছেন বিচার স্বাভাবিক গতিতেই চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ পরিদর্শনে এসে এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন সরকারকে শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকর করার আহ্বানও জানান।
৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্বায়িত্ব নেয়ার পর পুনর্গঠন হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। জুলাই হত্যাযজ্ঞসহ আওয়ামী লীগ আমলের গুম খুনের বিচারকাজও শুরু হয় এখানে। এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনা, পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলার রায় হয়েছে। রায়ের দ্বারপ্রান্তে আরও কয়েকটি মামলা।

১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার চিফ প্রসিকিউটর জানান, সরকার পরিবর্তন হলেও বিচারকাজ চলবে স্বাভাবিক গতিতেই। এ ব্যপারে ইতিবাচক সরকারও।
এদিন ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে আসেন এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। কোনোভাবেই যেন বিচার বাধাগ্রস্থ না হয় তা নিশ্চিতের পাশাপাশি শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান তিনি।

একই দিন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি ২ মার্চ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া র্যাবের টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়।