1. admin@jtv.news : admin :
যথাযথ মর্যাদায় পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - JTV
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজপথের সংগ্রাম থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে: মীর শাহে আলমের অনন্য রাজনৈতিক যাত্রা সফল শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এখন খাদ্য, কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জ্বালানি তেল সংকটের আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন আমেরিকার তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে প্রণয় ভার্মার বৈঠক রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ এমপি মিলনের ইরানের হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের

যথাযথ মর্যাদায় পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৮ বার পঠিত

যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে কলকাতাসহ পুরো ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, গৌহাটিসহ সব বাংলাদেশি দূতাবাস ও সহকারী দূতাবাসে পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া বাংলা একাডেমির সামনে ছাতিম তলায় প্রতিবছরের মতোই দিনরাতব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভাষা ও চেতনা সমিতি। কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে। যদিও দক্ষিণ কলকাতার প্রভাতফেরী আয়োজন করতে পারেনি উদ্যোক্তারা। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চলার কারণে সেই র‍্যালির জন্য মেলেনি পুলিশি অনুমতি। একই সঙ্গে পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্তের যৌথ ভাষা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান ও আয়োজন করা হয়নি।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ পালিত হচ্ছে মহান ‘ভাষা শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬’। একুশের সকালে উপ-হাইকমিশন চত্বরে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পতাকা অর্ধনমিত করেন ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার সিকদার মো. আশরাফুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তুষিতা চাকমা (কাউন্সিলর ও চ্যান্সারি প্রধান), মো. জিল্লুর রহমান, প্রথম সচিব (কনস্যুলার), মো. আসাফ রেজা, কাউন্সিলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া)-সহ মিশনের কর্মকর্তারা। পরে উপ-হাইকমিশনের প্রাঙ্গণের শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর ভাষা শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ১ মিনিট নিরবতা পালন, বাণী পাঠ, ইউনেস্কো প্রধান কর্তৃক প্রেরিত ভিডিও প্রদর্শন এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মহান ‘ভাষা শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন সকালের দিকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ‘জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। বিকেলে কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীসহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিধায়কসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি।
সকালে আন্তর্জাতিক গেস্ট হাউসের সামনে থেকে এই গান গেয়ে শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্বভারতী চত্বরে পরিক্রমা করে পৌঁছায় বাংলাদেশ ভবনে। অস্থায়ী শহীদ বেদী তৈরি করা হয়েছে সেখানে, ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য, বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং বহু ছাত্র-ছাত্রী।
গান, শোভাযাত্রা ও শ্রদ্ধাঞ্জলীর মধ্য দিয়ে বিশ্বভারতীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অন্যদিকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সারারাতব্যাপী অনুষ্ঠান করেছে ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’ নামে একটি সংগঠন। শুক্রবার বিকেল থেকেই কলকাতার রবীন্দ্রসদন লাগোয়া একাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে রাণুছায়া মঞ্চে শুরু হওয়া সারারাতব্যাপী বাংলা ভাষা উৎসবে নাচ, গান, কবিতা, নাটক, যাদু, বাউল, লোক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে প্রভাতফেরীর মধ্য দিয়ে সেই অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়।

তবে ভাষা দিবসে মিলন হলো না সীমান্তপারের দুই বাংলার। ফলে মন খারাপ নিয়েই ফ্যাকাশে মুখ নিয়ে ফিরতে হয়েছে ভাষাপ্রেমী মানুষদের। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে ভারত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল সীমান্তে নোম্যান্সল্যান্ডে দুই বাংলার মিলন ঘটে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা একে অপরের মধ্যে সৌহার্দ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ভাষা দিবসের উদযাপন করে থাকেন। দুই-দেশের মানুষ সেই সৌহার্দ্য বিনিময় দাঁড়িয়ে থেকে উপভোগ করতেন এবং দুই বাংলার মিলনের সাক্ষী থাকতেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর গত বছর থেকে চিত্রটা বদলেছে। ২০২৫ সালে দুই বাংলার মিলন হয়নি নোম্যান্সল্যান্ডে। এ বছরের দৃশ্যটাও একই রয়ে গেল। তবে গত বছর ভারতীয় ভূখণ্ডে বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা দিবস উদযাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর সেই আয়োজনও নেই। আর তাতেই মন খারাপ ভাষাপ্রেমী মানুষদের। দূর দূরান্ত থেকে যারা দুই বাংলার মিলন দেখতে এসেছিল তারা ফ্যাকাসে মুখ নিয়েই বাড়ি ফিরছেন। দুই বাংলার মিলন দেখতে না পেয়ে ভারাক্রান্ত গলায় তাদের প্রত্যাশা আগামী দিনে দুই বাংলার মিলন ঘটবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV