পবিত্র রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্য কিনতে আজ মঙ্গলবার অনেক মানুষ ভিড় করেছিলেন রাজধানীর উত্তরা ১২ ন সেক্টরে ৬/সি রোডে টিসিবির ট্রাকের পেছনে। এক পর্যায়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ট্রাকচালক স্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করেন।

চলন্ত ট্রাকের পেছনে মরিয়া হয়ে ছুটতে থাকেন ক্রেতারা। ট্রাকের পেছনের অংশ ধরে ঝুলে পড়েন কেউ কেউ। তার মধ্যে এক নারী ছিটকে পড়েন রাস্তায়।

একটি সূত্র জানা যায় ঢাকা মহানগরী ও ঢাকা জেলার গরিব, হতদরিদ্র নিম্নবিদ্ধ মানুষের টিসিবি এবং ওএমএস এর ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও খাদ্য অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দ কম থাকায় বিভিন্ন জায়গায় এই খাদ্য পণ্য নিয়ে এরকম একরকম যুদ্ধ হুরাহুরি পারাপারি শুরু হয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

ঢাকা ঢাকা মহানগরীতে বসবাস করে কর্মজীবী রহিমা বেগম, আবুল কালাম, খাদিজা আক্তার, পুষ্প বেগম সহ অনেকেই জানান,টিসিবি এবং ওএমএস অন্য কম দামে আটা, ময়দা, চাল, ডাল, তেল ইত্যাদি কিনা যায়। কিন্তু আমরা জানি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফায় বলেছেন ফ্যামিলি কার্ড দিবেন। সেই কার্ডে এই রোজার আগে পাঁচ হাজার পরিবারকে দেয়া হবে। এতে আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু জানতে পারলাম প্রতি কার্ডে আড়াইহাজার টাকা করে পাবে। এতে প্রায় সাড়ে বারো হাজার কোটি টাকার উপরে হয়।

আমরা মনে করি এইসব কার্ড বন্টনে সঠিক মানুষ পাবে না বরঞ্চ টাকা না দিয়ে কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে যেটা সব চাইতে চাহিদা বেশি নিত্যদিনের খাদ্য পণ্য আটা, ময়দা, চাল, ডাল, তেল সহায় বিভিন্ন খাদ্য পণ্য দেয়া যেতে পারে। এতে মানুষ কম টাকায় এসব খাদ্য পণ্য কিনে তাদের জীবন যাত্রা সহজভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তারা টিসিবি ও ওএমএসের বরাদ্দ বাড়ানো, সুশৃঙ্খল বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকা হালনাগাদের দাবি জানান।

স্থানীয়দের মতে, পর্যাপ্ত সরবরাহ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা না থাকলে রমজানজুড়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের ভিড় ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারিত ও ডিজিটাল তালিকাভুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত করা জরুরি।