1. admin@jtv.news : admin :
গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কী? - JTV
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে প্রণয় ভার্মার বৈঠক রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ এমপি মিলনের ইরানের হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের ঈদে ছুটি টানা ৭ দিন শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল ৬ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ২১০ ফ্লাইট বাতিল, জানাল শাহজালাল বিমানবন্দর পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কী?

গণভোট নিয়ে হাইকোর্টের রুল: জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কী?

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৬ বার পঠিত

জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিতেই জারি করা হয়েছিল জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ। রাষ্ট্রপতির এ আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হয় গণভোট। আর এতে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দেন ৬৫ শতাংশের বেশি ভোটার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে জয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও বিএনপি ও দলটির শরিকরা নেয়নি; সংবিধান সংস্কার পরিষদের এই শপথ নিয়ে দেখা দেয় মতদ্বৈততা।

এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোটের অধ্যাদেশ এবং সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এরপরই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ইস্যুটি আবারও আলোচনায় এসেছে।

আইন বিশেষজ্ঞ মনজিল মোরশেদ বলেছেন, সংসদ যখন শপথ নিতে যায়, বিএনপি শপথ নেয় নাই। তারা তো বলেই দিয়েছে এটি অবৈধ। যেটা অবৈধ, সেটা অবৈধ-ই। তারপরে কেউ হয়তো আগ্রহী হয়ে আদালতে গেছে। আদালত তো সংবিধানের বাইরে কিছু বলতে পারে না। আদালত তো এই সংবিধানের অধীনে কাজ করছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের শরীফ ভূঁইয়া বলেন, আমি মনে করছি না সংকট হবে, তবে সংস্কার প্রক্রিয়াটা বাধাগ্রস্ত হবে। সেটা আমাদের তরুণ প্রজন্ম কীভাবে নেয়, এটার একটা বিষয় আছে। ভবিষ্যতে এই সংবিধানের ব্যাপারে মনোভাব কী ধরনের হবে সেটারও একটা বিষয় আছে।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারে জুলাই জাতীয় সনদ সাক্ষর করেছিল বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা রয়েছে সংসদের। সেক্ষেত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধা হবে না বলছেন তারা।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, জুলাই সনদে যার যত প্রস্তাব আছে, সংসদ এগুলো আলোচনা করবে এবং আলোচনা করে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাশ করবে। অতএব এখানে দ্বিতীয় একটা পরিষদের কোনো দরকার ছিল বলে মনে হয় না। এটা প্রথম থেকে একটা ভ্রান্ত ধারণার ওপর ভিত্তি করে হয়েছে।

তবে উচ্চ আদালত থেকে রুল জারির পর এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সৃষ্ট মতদ্বৈততা দূর করতে হবে রাজনৈতিকভাবে।

মনজিল মোরশেদ বলেন, একটা রাজনৈতিক দল নির্বাচনের আগে ইশতেহারে বলেছে, কী কী করবে, জনগণ সেই জন্য তাদের ভোট দিয়েছে। অর্থাৎ তাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। এখানে কোনো জটিলতা বা জুলাই সনদ গেলো এগুলো কোনো বিষয় না। আর ওটা আদালতে গেছে, এটা এমনটি একটা ডেড ইস্যু। ডেড ইস্যু বলতে কোনো আইনি ভিত্তি নাই।

শরীফ ভূঁইয়া বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংস্কারগুলো বাস্তবায়িত হলে এই বাস্তবায়নটা টেকসই হতো।

এদিকে, গণভোটের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে চার সপ্তাহের মধ্যে। তার আগে, আগামী ১২ মার্চ বসছে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন। সেই অধিবেশনে আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একমত হবে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV