1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ - JTV
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে? মেধাবীদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী কৌশলগত লক্ষ্য নিয়ে খুবই বিভ্রান্তিতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক কয়েকমাসের মধ্যে সংসদও সোলার সিস্টেমের আওতায় আসবে: প্রধানমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে বিএনপির র‍্যালিতে হাতাহাতি অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে না: দীনেশ ত্রিবেদী মন্ত্রিসভায় আজ উঠতে পারে নতুন পে-স্কেল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, জীবিত উদ্ধার ৮১৮৬ জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ: মীর শাহে আলম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হলেই মিলবে সমাধান

যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পঠিত

প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে।

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের আতঙ্কে এরই মধ্যে দীর্ঘ লাইন রাজধানীর পাম্পগুলোতে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ আর এক সপ্তাহ চললেই ক্ষতির মাত্রা টের পাওয়া যাবে। বিশেষ করে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে তেল ও গ্যাসনির্ভর খাতগুলো। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় চাকরি হারানোর শঙ্কা বাড়বে প্রবাসীদের।

এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের জন্য সমস্যাটা কোথায়? তেলের দাম বাড়ছে আরব দেশে, আমরা সেই তেল কিনি। আমরা সেই তেল ছাড়া চলতে পারি না। যদি যুদ্ধ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে না থামে, তাহলে এগুলোর দাম বাড়তে শুরু করবে। পরিবহনের খরচ বাড়লে সবকিছুর দাম বেড়ে যাবে। কৃষি জমিতে সেচ দিতে হয়, সেই সেচের যে তেল সেটারও দাম বেড়ে যাবে। সুতরাং এমন কোনো পণ্য নাই যেটা এই যুদ্ধের থেকে প্রভাবিত হবে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে কর্মরত এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি, যার বেশিরভাগই রয়েছেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্থিরতা না কমলে, দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি রয়েছে প্রবাসে কাজ হারানোর।

প্রবাসীদের ঝুঁকি প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ওবায়দুল হক বলেন, ট্যুরিস্টরা এখন সেখানে যাবে কিনা জানি না। আমরা পশ্চিমে কোথাও প্লেনে যেতে চাইলে আমাদেরকে হয় দোহায় নামতে হতো অথবা দুবাইয়ে নামতে হতো, আবুধাবিতে নামতে হতো অথবা ইস্তাম্বুলে নামতে হতো। এসব এখন অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আপনি দেখেছেন ইতোমধ্যে প্লেন যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে কলকারখানা এবং বন্দর অপারেশনস বন্ধ হয়ে যায়, তবে তার অভিঘাত পড়বে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ কী ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে? বিশ্লেষকদের পরামর্শ, সরকার যেন বিকল্প পথগুলো খোলা রাখে। বিশেষ করে নজর দিতে হবে সৌর বিদ্যুৎসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক উৎসের দিকে।

অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হলে, কোনো দেশই এর প্রভাবের বাইরে থাকে না। খোদ যুক্তরাষ্ট্রও এখন যুদ্ধ থামানোর পথ খুঁজছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV