1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
যথাযথ মর্যাদায় পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - JTV
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাবতলী হাটে সন্তোষজনক পরিবেশ, নিরাপত্তায় কড়া নজরদারি: মীর শাহে আলম র‌্যাবের ওপর সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চুক্তির সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসকে যুক্ত করলেন ট্রাম্প লাব্বাইক লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাত ময়দান তীব্র গরম ও বজ্রঝড়ের শঙ্কা, হুমকিতে ২০২৬ বিশ্বকাপ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকের চাপ, বাড়ছে যানজট ও ভোগান্তি আজ পবিত্র হজ কমলাপুর রেল স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, পাঁচ ট্রেন বিলম্বে যাত্রী ভোগান্তি শিবগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তা ও মেধাবীদের সংবর্ধনায় প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল থেকে বেরিয়েও ঈদে বাড়ি ফেরা হয় না সবার বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্দেশ ‘বিদ্রোহী’ কবির জন্মদিন উদ্‌যাপন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী

যথাযথ মর্যাদায় পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৪ বার পঠিত

যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে কলকাতাসহ পুরো ভারতে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, গৌহাটিসহ সব বাংলাদেশি দূতাবাস ও সহকারী দূতাবাসে পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া বাংলা একাডেমির সামনে ছাতিম তলায় প্রতিবছরের মতোই দিনরাতব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভাষা ও চেতনা সমিতি। কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে। যদিও দক্ষিণ কলকাতার প্রভাতফেরী আয়োজন করতে পারেনি উদ্যোক্তারা। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চলার কারণে সেই র‍্যালির জন্য মেলেনি পুলিশি অনুমতি। একই সঙ্গে পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্তের যৌথ ভাষা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান ও আয়োজন করা হয়নি।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ পালিত হচ্ছে মহান ‘ভাষা শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬’। একুশের সকালে উপ-হাইকমিশন চত্বরে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পতাকা অর্ধনমিত করেন ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার সিকদার মো. আশরাফুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তুষিতা চাকমা (কাউন্সিলর ও চ্যান্সারি প্রধান), মো. জিল্লুর রহমান, প্রথম সচিব (কনস্যুলার), মো. আসাফ রেজা, কাউন্সিলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া)-সহ মিশনের কর্মকর্তারা। পরে উপ-হাইকমিশনের প্রাঙ্গণের শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর ভাষা শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ১ মিনিট নিরবতা পালন, বাণী পাঠ, ইউনেস্কো প্রধান কর্তৃক প্রেরিত ভিডিও প্রদর্শন এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মহান ‘ভাষা শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন সকালের দিকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ‘জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। বিকেলে কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীসহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিধায়কসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি।
সকালে আন্তর্জাতিক গেস্ট হাউসের সামনে থেকে এই গান গেয়ে শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্বভারতী চত্বরে পরিক্রমা করে পৌঁছায় বাংলাদেশ ভবনে। অস্থায়ী শহীদ বেদী তৈরি করা হয়েছে সেখানে, ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য, বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং বহু ছাত্র-ছাত্রী।
গান, শোভাযাত্রা ও শ্রদ্ধাঞ্জলীর মধ্য দিয়ে বিশ্বভারতীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অন্যদিকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সারারাতব্যাপী অনুষ্ঠান করেছে ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’ নামে একটি সংগঠন। শুক্রবার বিকেল থেকেই কলকাতার রবীন্দ্রসদন লাগোয়া একাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে রাণুছায়া মঞ্চে শুরু হওয়া সারারাতব্যাপী বাংলা ভাষা উৎসবে নাচ, গান, কবিতা, নাটক, যাদু, বাউল, লোক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে প্রভাতফেরীর মধ্য দিয়ে সেই অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়।

তবে ভাষা দিবসে মিলন হলো না সীমান্তপারের দুই বাংলার। ফলে মন খারাপ নিয়েই ফ্যাকাশে মুখ নিয়ে ফিরতে হয়েছে ভাষাপ্রেমী মানুষদের। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে ভারত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল সীমান্তে নোম্যান্সল্যান্ডে দুই বাংলার মিলন ঘটে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা একে অপরের মধ্যে সৌহার্দ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ভাষা দিবসের উদযাপন করে থাকেন। দুই-দেশের মানুষ সেই সৌহার্দ্য বিনিময় দাঁড়িয়ে থেকে উপভোগ করতেন এবং দুই বাংলার মিলনের সাক্ষী থাকতেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর গত বছর থেকে চিত্রটা বদলেছে। ২০২৫ সালে দুই বাংলার মিলন হয়নি নোম্যান্সল্যান্ডে। এ বছরের দৃশ্যটাও একই রয়ে গেল। তবে গত বছর ভারতীয় ভূখণ্ডে বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা দিবস উদযাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর সেই আয়োজনও নেই। আর তাতেই মন খারাপ ভাষাপ্রেমী মানুষদের। দূর দূরান্ত থেকে যারা দুই বাংলার মিলন দেখতে এসেছিল তারা ফ্যাকাসে মুখ নিয়েই বাড়ি ফিরছেন। দুই বাংলার মিলন দেখতে না পেয়ে ভারাক্রান্ত গলায় তাদের প্রত্যাশা আগামী দিনে দুই বাংলার মিলন ঘটবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV