1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে - JTV
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভায় আজ উঠতে পারে নতুন পে-স্কেল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, জীবিত উদ্ধার ৮১৮৬ জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ: মীর শাহে আলম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হলেই মিলবে সমাধান নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন দায়িত্ব পাওয়ায় প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা সোহাগ ‘গত ছয় মাসে সংঘটিত প্রতিটি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে’ পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে জশনে জুলুস র‍্যালী ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মোহাম্মদ সোহাগ জাপানি ভাষা শিখে বিনা খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহ্‌দী আমিন ইরান ও কানাডায় বড় পরীক্ষার মুখে ট্রাম্পের ‘শক্তির রাজনীতি’ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন, সংবাদচর্চার প্রতিবেদনের প্রতিবাদ সোহাগের’

বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

নন-সিটিজেনদের ভোট দেওয়া বন্ধ করার যুক্তি দেখিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য পৃথক ‘নাগরিক তালিকা’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের নিজস্ব প্রশাসনই এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে না পারায় এবং অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা কার্যত অস্তিত্বহীন হওয়ায় এই পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।

গত মার্চ মাসে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার আগে ট্রাম্প বলেছিলেন,‘আমি মনে করি এটি নির্বাচনে অনেক সাহায্য করবে।’

ওই আদেশে ভোটারদের যোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তার জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে (ডিএইচএস) প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের নাগরিকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগেও ২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসন আদমশুমারিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রশ্ন যুক্ত করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল।

ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট-শাসিত অঙ্গরাজ্য এবং ভোটাধিকার রক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো আদালতে মামলা করেছে। ওয়াশিংটনের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে চলমান এই মামলার শুনানিতে মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে) নিজেই স্বীকার করেছে যে, ভোটার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ধরনের তালিকা সম্ভবত ‘অনির্ভরযোগ্য’ হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের ব্যবহারিক, আইনি ও ঐতিহাসিক কিছু জটিলতা তুলে করা হয়েছে।

অসম্পূর্ণ তালিকার ঝুঁকি

অন্যান্য দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র বা একক কোনো নথি নেই যা দিয়ে নাগরিকত্ব প্রমাণ করা যায়। আমেরিকার মাত্র ৫৪ শতাংশ মানুষের পাসপোর্ট রয়েছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড অ-নাগরিকদেরও থাকতে পারে। অন্য দিকে, যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন তাদের কাছে জন্মসূত্রে পাওয়া মার্কিন জন্মসনদ থাকে না।

ন্যাশনাল আর্কাইভসের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাচারালাইজেশন রেকর্ডের কোনো কেন্দ্রীয় সূচকও নেই।

ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, সোশ্যাল সিকিউরিটি রেকর্ড এবং অন্যান্য ফেডারেল ডাটাবেজ মিলিয়ে এই তালিকা তৈরি করা হবে। কিন্তু শুনানিতে মামলাকারীরা যুক্তি দিয়েছেন, সরকার যে তালিকাই তৈরি করুক না কেন, তা তাৎক্ষণিকভাবেই পুরোনো বা আউট অফ ডেট হয়ে যাবে। এমনকি প্রশাসনের এক আইনজীবীও স্বীকার করেছেন, ‘কোনো তালিকাই কখনো নিখুঁত হতে পারে না।’

আইন লঙ্ঘনের শঙ্কা

১৯৭৪ সালের ‘প্রাইভেসি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লিখিত সম্মতি ছাড়া এক সংস্থা অন্য সংস্থার সঙ্গে কোনো তথ্য শেয়ার করতে পারে না। যদিও দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। তবে আইনজীবীদের দাবি, এই গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন না করে এমন তালিকা তৈরি করা অসম্ভব।

জাজ কার্ল জে. নিকোলস জানিয়েছেন, আইন লঙ্ঘন হবে কি-না তা বলার সময় এখনও আসেনি। অন্য দিকে, বিচার বিভাগের আইনজীবীরা এখনও স্পষ্ট করতে পারেননি কীভাবে এই তালিকা তৈরি করা হবে।

অধিকার হরণ

১৮ শতক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাগরিকত্ব প্রত্যয়নের বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করলেও দেশে কখনো কোনো কেন্দ্রীয় নাগরিকত্ব রেজিস্ট্রি বা তালিকা ছিল না। লিবের্টারিয়ান থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ক্যাটো ইনস্টিটিউট’-এর ইমিগ্রেশন স্টাডিজ ডিরেক্টর ডেভিড জে. বিয়ার বলেন, একটি ত্রুটিপূর্ণ ডাটাবেজ ব্যবহার করা হলে নাগরিক এবং অ-নাগরিক উভয়েরই অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে। তিনি এটিকে অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

উল্লেখ্য, এই নাগরিক তালিকা তৈরির উদ্যোগের পাশাপাশি মার্কিন নাগরিকত্বের মূল কাঠামোর ওপর আরো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার দীর্ঘদিনের নিয়ম সংশোধনের চেষ্টা করেছিলেন, যা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এছাড়া তার প্রশাসন ইতোমধ্যেই শত শত ন্যাচারালাইজড মার্কিনির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV