1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ

বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত

নন-সিটিজেনদের ভোট দেওয়া বন্ধ করার যুক্তি দেখিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য পৃথক ‘নাগরিক তালিকা’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের নিজস্ব প্রশাসনই এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে না পারায় এবং অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা কার্যত অস্তিত্বহীন হওয়ায় এই পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।

গত মার্চ মাসে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার আগে ট্রাম্প বলেছিলেন,‘আমি মনে করি এটি নির্বাচনে অনেক সাহায্য করবে।’

ওই আদেশে ভোটারদের যোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তার জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে (ডিএইচএস) প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের নাগরিকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগেও ২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসন আদমশুমারিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রশ্ন যুক্ত করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল।

ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট-শাসিত অঙ্গরাজ্য এবং ভোটাধিকার রক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো আদালতে মামলা করেছে। ওয়াশিংটনের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে চলমান এই মামলার শুনানিতে মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে) নিজেই স্বীকার করেছে যে, ভোটার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ধরনের তালিকা সম্ভবত ‘অনির্ভরযোগ্য’ হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের ব্যবহারিক, আইনি ও ঐতিহাসিক কিছু জটিলতা তুলে করা হয়েছে।

অসম্পূর্ণ তালিকার ঝুঁকি

অন্যান্য দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র বা একক কোনো নথি নেই যা দিয়ে নাগরিকত্ব প্রমাণ করা যায়। আমেরিকার মাত্র ৫৪ শতাংশ মানুষের পাসপোর্ট রয়েছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড অ-নাগরিকদেরও থাকতে পারে। অন্য দিকে, যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন তাদের কাছে জন্মসূত্রে পাওয়া মার্কিন জন্মসনদ থাকে না।

ন্যাশনাল আর্কাইভসের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাচারালাইজেশন রেকর্ডের কোনো কেন্দ্রীয় সূচকও নেই।

ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, সোশ্যাল সিকিউরিটি রেকর্ড এবং অন্যান্য ফেডারেল ডাটাবেজ মিলিয়ে এই তালিকা তৈরি করা হবে। কিন্তু শুনানিতে মামলাকারীরা যুক্তি দিয়েছেন, সরকার যে তালিকাই তৈরি করুক না কেন, তা তাৎক্ষণিকভাবেই পুরোনো বা আউট অফ ডেট হয়ে যাবে। এমনকি প্রশাসনের এক আইনজীবীও স্বীকার করেছেন, ‘কোনো তালিকাই কখনো নিখুঁত হতে পারে না।’

আইন লঙ্ঘনের শঙ্কা

১৯৭৪ সালের ‘প্রাইভেসি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লিখিত সম্মতি ছাড়া এক সংস্থা অন্য সংস্থার সঙ্গে কোনো তথ্য শেয়ার করতে পারে না। যদিও দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। তবে আইনজীবীদের দাবি, এই গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন না করে এমন তালিকা তৈরি করা অসম্ভব।

জাজ কার্ল জে. নিকোলস জানিয়েছেন, আইন লঙ্ঘন হবে কি-না তা বলার সময় এখনও আসেনি। অন্য দিকে, বিচার বিভাগের আইনজীবীরা এখনও স্পষ্ট করতে পারেননি কীভাবে এই তালিকা তৈরি করা হবে।

অধিকার হরণ

১৮ শতক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাগরিকত্ব প্রত্যয়নের বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করলেও দেশে কখনো কোনো কেন্দ্রীয় নাগরিকত্ব রেজিস্ট্রি বা তালিকা ছিল না। লিবের্টারিয়ান থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ক্যাটো ইনস্টিটিউট’-এর ইমিগ্রেশন স্টাডিজ ডিরেক্টর ডেভিড জে. বিয়ার বলেন, একটি ত্রুটিপূর্ণ ডাটাবেজ ব্যবহার করা হলে নাগরিক এবং অ-নাগরিক উভয়েরই অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে। তিনি এটিকে অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

উল্লেখ্য, এই নাগরিক তালিকা তৈরির উদ্যোগের পাশাপাশি মার্কিন নাগরিকত্বের মূল কাঠামোর ওপর আরো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার দীর্ঘদিনের নিয়ম সংশোধনের চেষ্টা করেছিলেন, যা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এছাড়া তার প্রশাসন ইতোমধ্যেই শত শত ন্যাচারালাইজড মার্কিনির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV