ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সংসদ সদস্য ও বিকেল ৪টায় মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়
বিএনপি রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আর এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই হচ্ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার আকার কত বড় হবে
দেশের ইতিহাসে এই প্রথম সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা—দুজনেই নতুন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এবার। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, আর ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল
প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগোতেই এখন জোর আলোচনা কোথায় থাকবেন নবনির্বাচিত সরকারের ভাবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যায় দেশের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ অতিথি উপস্থিত থাকতে পারেন। এই সংখ্যা মাথায় রেখে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জাতীয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। এজন্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সরকারের শপথগ্রহণ নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, দেশে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের
জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পাওয়ায় দল হিসেবে বিএনপি ও নেতা হিসেবে তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন। এটি কেবল একটি নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের বিজয় নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে
বঙ্গভবনে নয় এবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হবে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। এই প্রথমবার রেওয়াজ ভেঙে বঙ্গভবনের দরবার হল থেকে উন্মুক্ত স্থানে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ অনুষ্ঠান হবে। রাষ্ট্রপতি মো.
বিএনপি সরকার গঠনের পর অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে— এমনটাই জানিয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন পরবর্তী প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন