পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ১০টার দিকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী, বনানী সামরিক কবরস্থানে
পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের ১০ উপদেষ্টার মধ্যে দফতর বণ্টন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দফতর পুনঃবণ্টন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রুলস অব
সম্প্রতি দেশের ৬টি সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করেছে সরকার। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং একই মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম—এর প্রতি আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রত্যাশা রইলো।
বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে জিয়ারত,
০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হামলার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে
ঢাকার দুই সিটিসহ ছয় সিটি করপোরেশনের রাজনৈতিক প্রশাসকরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে যোগদান করেছেন। এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের কাছে যোগদানপত্র জমা দেন। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, মেয়াদ অনুযায়ী
বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক মামলায় আসামি করা হবে শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, ফজলে নূর তাপসসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপিদের। মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি
প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে