1. admin@jtv.news : admin :
যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ - JTV
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তেল পাচার ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজপথের সংগ্রাম থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে: মীর শাহে আলমের অনন্য রাজনৈতিক যাত্রা সফল শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এখন খাদ্য, কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জ্বালানি তেল সংকটের আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন আমেরিকার তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন

যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে।

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের আতঙ্কে এরই মধ্যে দীর্ঘ লাইন রাজধানীর পাম্পগুলোতে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ আর এক সপ্তাহ চললেই ক্ষতির মাত্রা টের পাওয়া যাবে। বিশেষ করে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে তেল ও গ্যাসনির্ভর খাতগুলো। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় চাকরি হারানোর শঙ্কা বাড়বে প্রবাসীদের।

এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের জন্য সমস্যাটা কোথায়? তেলের দাম বাড়ছে আরব দেশে, আমরা সেই তেল কিনি। আমরা সেই তেল ছাড়া চলতে পারি না। যদি যুদ্ধ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে না থামে, তাহলে এগুলোর দাম বাড়তে শুরু করবে। পরিবহনের খরচ বাড়লে সবকিছুর দাম বেড়ে যাবে। কৃষি জমিতে সেচ দিতে হয়, সেই সেচের যে তেল সেটারও দাম বেড়ে যাবে। সুতরাং এমন কোনো পণ্য নাই যেটা এই যুদ্ধের থেকে প্রভাবিত হবে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে কর্মরত এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি, যার বেশিরভাগই রয়েছেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্থিরতা না কমলে, দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি রয়েছে প্রবাসে কাজ হারানোর।

প্রবাসীদের ঝুঁকি প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ওবায়দুল হক বলেন, ট্যুরিস্টরা এখন সেখানে যাবে কিনা জানি না। আমরা পশ্চিমে কোথাও প্লেনে যেতে চাইলে আমাদেরকে হয় দোহায় নামতে হতো অথবা দুবাইয়ে নামতে হতো, আবুধাবিতে নামতে হতো অথবা ইস্তাম্বুলে নামতে হতো। এসব এখন অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আপনি দেখেছেন ইতোমধ্যে প্লেন যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে কলকারখানা এবং বন্দর অপারেশনস বন্ধ হয়ে যায়, তবে তার অভিঘাত পড়বে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ কী ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে? বিশ্লেষকদের পরামর্শ, সরকার যেন বিকল্প পথগুলো খোলা রাখে। বিশেষ করে নজর দিতে হবে সৌর বিদ্যুৎসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক উৎসের দিকে।

অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হলে, কোনো দেশই এর প্রভাবের বাইরে থাকে না। খোদ যুক্তরাষ্ট্রও এখন যুদ্ধ থামানোর পথ খুঁজছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV