1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
ট্রাম্প প্রস্তাবিত গাজায় ‘শান্তি বোর্ড’ কাজ করবে যেভাবে - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ ১০ বছর পর ১৯ অক্টোবর খুলছে ওসমানী উদ্যান; উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রস্তাবিত গাজায় ‘শান্তি বোর্ড’ কাজ করবে যেভাবে

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫৩ বার পঠিত

ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার টনি ব্লেয়ারকে গাজার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত ‘শান্তি বোর্ডের’ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছে। খবর বিবিসির।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনারও গাজার জন্য গঠিত এই বোর্ডে প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য হিসেবে থাকছেন। আর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এটি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে টাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার অংশ।

এ বোর্ড সাময়িকভাবে গাজার শাসন ব্যবস্থার তত্ত্বাবধান এবং এর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী বোর্ডে আরও রয়েছেন একটি বেসরকারি ফার্মের প্রধান মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রধান অজয়​বাঙ্গা ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।

হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিটি সদস্যের একটি করে দপ্তর থাকবে, যা গাজায় স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বলেন, বোর্ডটি গঠিত হয়েছে। তিনি এটিকে ‘যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে গঠিত সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বোর্ড’ বলে অভিহিত করেছেন।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সামনের সপ্তাহগুলোতে বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে।

স্যার টনি ব্লেয়ার ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি যুক্তরাজ্যকে ইরাক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেন। পদত্যাগের পর তিনি আন্তর্জাতিক শক্তির (যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, রাশিয়া ও জাতিসংঘ) মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি ফিলিস্তিনে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরিতে মনোনিবেশ করেন।
এদিকে, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার দৈনন্দিন শাসন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৫ সদস্যের একটি পৃথক ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা (এনসিএজি) ঘোষণা করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) সাবেক উপমন্ত্রী আলী শাথ নতুন এই কমিটির প্রধান হচ্ছেন। ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অধিকৃত পশ্চিম তীরের কিছু অংশ পরিচালনা করে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এনসিএজির সঙ্গে ‘শান্তি বোর্ডের’ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন বুলগেরিয়ার রাজনীতিবিদ ও জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সাবেক দূত নিকোলে ম্লাদেনভ।

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় বলা হয়, গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েন করা হবে, যারা যাচাইকৃত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স গাজায় ‘নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা, শান্তি রক্ষা এবং একটি টেকসই ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠার’ জন্য এ বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন।
ট্রাম্প প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা গত অক্টোবরে কার্যকর হয়, যা ইতোমধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে গাজা এবং সেখানে বসবাসকারী ২১ লাখ ফিলিস্তিনির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও যথেষ্ট অস্পষ্টতা রয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে হামাস ও ইসরায়েল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এসময় তারা জিম্মি ও বন্দি বিনিময়ের পাশাপাশি ইসরায়েলি সৈন্য আংশিকভাবে প্রত্যাহার এবং সহায়তা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে উইটকফ বলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ে গাজার পুনর্গঠন এবং হামাস ও অন্যান্য গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি ভঙ্গুর। কারণ উভয়পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৪৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একই সময়ে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর হামলায় তাদের তিন সেনা নিহত হয়েছে।
জাতিসংঘ জানায়, গাজায় মানবিক পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ। গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলোর সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয় সংস্থাটি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৭১ হাজার ২৬০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV