1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
হাজারো মানুষ বিক্ষোভে নিহতের ঘটনা স্বীকার করলেন খামেনি - JTV
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আলী নির্বাচিত পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে বিডি ক্লিন: মীর শাহে আলম মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে ইরানের হামলা আর্জেন্টিনা-স্পেনের মুখোমুখি পরিসংখ্যান কী, সবশেষ দেখায় জিতেছিল কোন দল? শেষের ম্যাজিকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণই সফলতার চাবিকাঠি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে দুরন্ত স্পেন স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন, মীর শাহে আলম বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, কোথায় কখন খেলা করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ: তারেক রহমান

হাজারো মানুষ বিক্ষোভে নিহতের ঘটনা স্বীকার করলেন খামেনি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১২০ বার পঠিত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে স্বীকার করেছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক ভাষণে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যার মধ্যে কিছু হত্যাকাণ্ড ছিল অমানবিক ও নৃশংস। এই মৃত্যুর জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেন। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘ইরানিয়ান হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি’ এইচআরএএনএ)-এর মতে, অস্থিরতা দমনে সহিংসতায় ৩ হাজার ৯০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে কিছু অধিকার গোষ্ঠী নিহতের এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে দাবি করছে। দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের সঠিক তথ্য পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানি বিক্ষোভকারীদের ‘বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাদের হত্যা করলে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খামেনির বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতির ওপর যে হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং অপবাদ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করি।
২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক সমস্যার প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শাসনের অবসানের দাবিতে রূপ নেয়। ইরান সরকার এই বিক্ষোভকে শত্রুদের মদদপুষ্ট ‘দাঙ্গা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছোড়ার ভিডিও থেকে বিবিসি পার্সিয়ান ও বিবিসি ভেরিফাই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ইরানে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাইবার মনিটর ‘নেটব্লকস’-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সামগ্রিক ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র দুই শতাংশ ছিল।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অস্থিরতার খবর কম পাওয়া গেলেও ইন্টারনেটের সীমাবদ্ধতার কারণে মাঠপর্যায়ের প্রকৃত পরিস্থিতি এখনো অস্পষ্ট। দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের শিরাজ শহরের এক নারী বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী এখনো মোটরবাইকে টহল দিচ্ছে, তবে সামগ্রিকভাবে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসছে।’
এদিকে, শনিবারের ভাষণে খামেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একজন ‘অপরাধী’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘জবাবদিহি’ করতে হবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো ইরানকে গিলে ফেলা।

ট্রাম্প এখনো ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বক্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। বিবিসি এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট শনিবার জানিয়েছে যে, তারা খবর পেয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র (ইরান) মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ আরও জানায়, ইরান যদি এমন কোনো হামলা চালায় তবে তাদের ‘ভয়াবহ শক্তিশালী শক্তির’ মুখোমুখি হতে হবে। তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে বিভাগটি বলেছে তারা (ইরান) যেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে খেলা শুরু না করে।
গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তাকে জানানো হয়েছে ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে, তবে তিনি দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি। কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। বিবিসির মার্কিন সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএস-কে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই আংশিক সৈন্য প্রত্যাহার একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV