1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
প্রধান উপদেষ্টা কে খোলা চিঠি ৪ ব্যবসায়ী শীর্ষ সংগঠনের - JTV
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আলী নির্বাচিত পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে বিডি ক্লিন: মীর শাহে আলম মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে ইরানের হামলা আর্জেন্টিনা-স্পেনের মুখোমুখি পরিসংখ্যান কী, সবশেষ দেখায় জিতেছিল কোন দল? শেষের ম্যাজিকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণই সফলতার চাবিকাঠি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে দুরন্ত স্পেন স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন, মীর শাহে আলম বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, কোথায় কখন খেলা করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ: তারেক রহমান

প্রধান উপদেষ্টা কে খোলা চিঠি ৪ ব্যবসায়ী শীর্ষ সংগঠনের

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫৯ বার পঠিত

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে চট্টগ্রাম বন্দরে ঘোষিত ধর্মঘট নিরসন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকাররে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কে খোলা চিঠি দিয়েছে ৪ ব্যবসায়ী শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ),বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)

চিঠিতে বলা হয়
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

** জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে চট্টগ্রাম বন্দরে ঘোষিত ধর্মঘট নিরসন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আপনার জরুরি হস্তক্ষেপের জন্য আমাদের সম্মিলিত আবেদন।**

মাননীয় মহোদয়,

আসসালামু আলাইকুম।
আপনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে যে সাফল্য প্রদর্শন করেছে, তা সর্বমহলে সমাদৃত। বিশেষ করে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আপনার অঙ্গীকার আজ বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী ৪ দিন পর অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে যে গণতান্ত্রিক উৎসবের আমেজ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, আমরা তার প্রতি পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করছি।


তবে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, যখন সমগ্র জাতি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে, ঠিক তখনই দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরে একটি গভীর অচলাবস্থার উপক্রম হয়েছে। ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ কর্তৃক আগামীকাল থেকে ঘোষিত লাগাতার ধর্মঘট ও বহির্নোঙরে কার্যক্রম বন্ধের ডাক আমাদের শিল্প ও বাণিজ্যে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, বন্দরে কর্মরত প্রতিটি শ্রমিক-কর্মচারী আমাদের অর্থনীতির অগ্রযাত্রার সম্মুখ সারির সহযোদ্ধা। তাই নির্বাচনের এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে শিল্প, বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার বৃহত্তর স্বার্থে আন্দোলনকারী ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সকল পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তি নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।

বিগত সাত দিন ধরে আমরা ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহ উদ্ভূত সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ ও সমন্বয় সভা করেছি, যাতে করে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, আস্থার সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো ফলপ্রসূ সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে আন্দোলনকারীরা বন্দরের বহির্নোঙরে বার্থিং ও পণ্য খালাস বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় পুরো বন্দর অচল হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

এই অচলাবস্থার ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির চিত্র আপনার সদয় অবগতির জন্য সংক্ষেপে পেশ করছি:

• দেশের ৯৯ শতাংশ কনটেইনার এবং ৭৮ শতাংশ সমুদ্রপথের বাণিজ্য এই বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হলে তৈরি পোশাকসহ সকল প্রধান রপ্তানি খাত অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামালবাহী জাহাজ খালাস না হলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে, যা দ্রব্যমূল্যকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ঠেলে দেবে।

• বন্দরে জাহাজ জট ও কার্যক্রম স্থগিতের ফলে প্রতিদিন আমদানিকারকদের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ‘ডেমারেজ চার্জ’ হিসেবে পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি বিশাল বোঝা।

এনসিটি ইজারা সংক্রান্ত বিরোধটি বর্তমানে কর্মচারী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সাংঘর্ষিক অবস্থানে পৌঁছেছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও তদন্তের উদ্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তপ্ত করে তুলেছে বলে আমরা মনে করি।

মাননীয় মহোদয়,
জাতীয় নির্বাচনের এই ৪ দিন আগে দেশের সরবরাহ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার ব্যাঘাত ঘটা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। এমতাবস্থায়, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আমরা আপনার ব্যক্তিগত ও সরাসরি হস্তক্ষেপ একান্তভাবে প্রার্থনা করছি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল পক্ষই আপনার বিজ্ঞ সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে। একমাত্র আপনার বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনাই পারে এই সংকটময় অচলাবস্থা নিরসন করে একটি সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার সময়োপযোগী পদক্ষেপই বর্তমান স্থবিরতা কাটিয়ে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যাবে।

ধন্যবাদান্তে,
আপনার একান্ত বিশ্বস্ত

সভাপতি, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)

সভাপতি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)

সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV