শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ঢাকা শহরগুলোতে প্রাথমিক স্তরে ভর্তির একটি সমস্যা রয়েছে। এই জটিলতা নিরসনের জন্য বিগত সরকার লটারি সিস্টেম করেছিল। যেটা আদৌ আমার মনে হয় না যুক্তিসঙ্গত।
রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য রুরাল এন্ড আরবান দুইটি সেকশন রয়েছে। এখন গ্রামীণ জনপদে যে প্রতিষ্ঠানগুলি রয়েছে সেখানে প্রি-প্রাইমারি স্কুল রয়েছে এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা এতটা কম্পিটিটিভ নয়, সেই কারণে সেখানে ভর্তি সমস্যা তেমন একটা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আগামী বছরে এই শিক্ষা ব্যবস্থায় ভর্তির সিস্টেম কীভাবে করা হবে, সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অর্থাৎ অভিভাবকদের সঙ্গে বিভিন্ন রকম সেমিনার সিম্পোজিয়াম করে সংসদ সদস্য সকলের অভিমত নিয়ে একটি জনমত সৃষ্টি করে আগামী ২০২৭-এর জানুয়ারি ভর্তির বিষয়ে চিন্তা করবো।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের থ্রি ডাইমেনশনাল শিক্ষা ব্যবস্থা যেমন, ধর্মীয় অনুভূতিতে এবতেদায়ি, মাদরাসা, কওমিত, ইংলিশ মিডিয়াম ও বাংলা মিডিয়াম রয়েছে। সবগুলোকে সমন্বিত করা একটি জটিল ব্যাপার রয়েছে। তবুও আমরা ইতিমধ্যেই কমিটি করেছি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় এনে তাদেরকে কীভাবে আমাদের যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের দেশের নিয়ম কানুন মেনে করা যায়, সেই বিষয়ে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে আমরা কমিটি গঠন করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

তিনি আরও বলেন, এবতেদায়ি শিক্ষা ব্যবস্থা, সেটাকেও আমরা ইতিমধ্যেই আমরা সেই বিষয়ে ব্যাপক কাজ শুরু করেছি। আর কওমি শিক্ষা ব্যবস্থাকে কিভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, কারণ একটি দেশে বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা না থেকে, কিভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা সমন্বিত করা যায় সেই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি।