1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকে পাশ কাটিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম - JTV
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী বিএনপি সরকার আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী: রিজভী সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে এই কার্ড নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকে পাশ কাটিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৯ বার পঠিত

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্থানীয় সরকার, নগর উন্নয়ন, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি করছেন এবং দীর্ঘদিনের অবহেলিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেও মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির মূল পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজের মাধ্যমে, আর সেই জায়গায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ইতোমধ্যেই নিজের সক্ষমতার প্রমাণ রাখতে শুরু করেছেন। নগরবাসীর বহুদিনের দুর্ভোগ জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, রাস্তা সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমে আসবে বলে আশা করছেন নগরবাসী।

শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই নয়, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ফুটবল টুর্নামেন্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। নতুন পার্ক নির্মাণ, উন্মুক্ত সবুজ স্থান সৃষ্টি, বৃক্ষরোপণ, সড়ক বিভাজকে সৌন্দর্যায়ন এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে নগর পরিবেশকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করার কাজ এগিয়ে চলছে। এতে সাধারণ মানুষের বিনোদন ও মানসিক স্বস্তির সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় রয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সময় ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং শীতবস্ত্র বিতরণসহ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে তার উদ্যোগে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়—মানুষের পাশে সরাসরি দাঁড়ানোর সংস্কৃতি তিনি গড়ে তুলছেন।

তারা বলছেন, “উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে নগরীর সামগ্রিক চিত্র বদলে যাবে। দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধানের পথে যাচ্ছে।”

তবে এমন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে একটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে নানা ধরনের অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালানোর বিষয়টি সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিকল্পিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং গুজবনির্ভর প্রচারণার মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আড়াল করে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন সরকারের মধ্যে যারা বেশি সক্রিয় এবং দৃশ্যমান কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধেই সাধারণত বেশি অপপ্রচার চালানো হয়। কারণ বাস্তব উন্নয়ন কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। সেই বাস্তবতায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা অস্বাভাবিক নয়।

একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য প্রচার কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানিকর প্রচারণার ঘটনায় দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক কাঠামোর আওতায় বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কারও সুনাম ক্ষুণ্ন করলে মানহানির মামলা দায়ের করা যেতে পারে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হলে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরদারিতে এনে তদন্ত করতে পারে। এছাড়া ভুয়া কনটেন্ট, বিকৃত ভিডিও বা মিথ্যা প্রচারণা শনাক্ত হলে তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির মাধ্যমে তা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক জবাবও গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতার তথ্য তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং বা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অপপ্রচারের জবাব দেওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা, গণশুনানি এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জোরদার করা হলে গুজব ও বিভ্রান্তির প্রভাব অনেকাংশে কমে আসে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

সচেতন মহল বলছে, একটি রাষ্ট্রে সমালোচনা থাকবে, প্রশ্ন থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে সমালোচনা হতে হবে তথ্যনির্ভর, দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক। ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, মিথ্যা তথ্য বা পরিকল্পিত অপপ্রচার কখনোই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

সবশেষে স্থানীয়দের বক্তব্য, “গুজব নয়, কাজ দেখুন। কে কত কথা বললো সেটা বড় নয়—কে মানুষের জন্য কী করলো, সেটাই বড়।”

উন্নয়ন ও সমালোচনা—দুই দিক বিবেচনায় নিয়েই প্রকৃত চিত্র মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। জনগণই শেষ পর্যন্ত ঠিক করবে কে বাস্তবে কাজ করছে, আর কে শুধু অপপ্রচার করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV