মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গত ৭২ ঘণ্টায় তিনটি দেশে দৌড়ঝাঁপ করে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা চালিয়েছেন। প্রস্তাবটির মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমিত করা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দ্রুত চালু করা। তবে এই প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে ইরানের নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
যদিও ওয়াশিংটন প্রথম থেকেই বলছে, যেকোনো আলোচনার শুরুতেই পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ফলে ইরানের এই প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন, ইরান সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছে। ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের এই সুযোগ দিতে পারি না।’
রুবিও আরও বলেন, ‘তারা খুব দক্ষ এবং অভিজ্ঞ আলোচক। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, যেকোনো চুক্তি এমন হতে হবে যাতে তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে দ্রুত এগোতে না পারে।’
সব মিলিয়ে, ইরানের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চললেও দুই দেশের অবস্থান এখনো বিপরীতমুখী। ফলে সংকট নিরসনে দ্রুত অগ্রগতি হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।