1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
সোহাগ অপহরণের এক বছর, অধরাই মূল আসামি - JTV
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোহাগ অপহরণের এক বছর, অধরাই মূল আসামি অপরাধী গ্রেফতারে কখনও ব্যর্থ হয়নি সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ ভালো নেই: জামায়াত আমির ড্রোন-বোমায় আকাশ ছেয়ে ফেলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী ডেঙ্গু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ও ভোটার তালিকা চ্যালেঞ্জ করে রিট লেবাননে হামলা নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর উত্তপ্ত ফোনালাপ বাজেট বরাদ্দের পরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম মশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর গণমুখী উদ্যোগে গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন: মাহদী আমিন শহীদ জিয়া শিশু হাসপাতালে বিশেষায়িত সেবা চালুর উদ্যোগ ‘শেখ হাসিনা জানে শফিকুল ইসলাম মাসুূদ কি জিনিস’ হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও চুক্তি নয়: ইরান

সোহাগ অপহরণের এক বছর, অধরাই মূল আসামি

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ অপহরণের এক বছর পূর্ণ হলেও মামলার প্রধান আসামি আল আমিন ওরফে জিতুকে গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়া ড্রাইভার কবির হালদার সহ চার আসামী উচ্চ আদালতে জামিনে এসে পলাতক রয়েছে।

এছাড়া পরবর্তীতে ব্যবসায়ী সোহাগকে অপহরণের শপথ করা এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সোহাগের প্রতিষ্ঠানের কর্মরত দুই কর্মকর্তা এবং অপহরণকারী চক্রের সদস্য লতিফ সিদ্দিকী রতন ও সাব্বির কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারাও উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে রয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহাগ জানান, গত বছরের ১ জুন রাতে আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল। আজ সেই ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলেও অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, চার্জশিট দাখিল ছাড়া মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি আমি দেখতে পাইনি। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। দেশের একজন ব্যবসায়ীর যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
আমি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
এই মামলার মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কবির ও জিতু নাম উঠে এসেছে। বিশেষ করে জিতু এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামি গ্রেফতার হলেও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
আমি আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখি এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম যেন আইনের বিধান অনুযায়ী দ্রুত সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন,একটি মামলার মূল আসামিদের এক বছরেও গ্রেফতার করা না গেলে তদন্ত কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই আমি জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি, মামলার মূল আসামি ও মাস্টারমাইন্ডদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ভুক্তভোগী হিসেবে আমাকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।

২০২৫ সালের পহেলা জুন রাতে অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগকে অপহরণ করে তারই প্রতিষ্ঠানের কর্মরত এবং বরখাস্তকিত সংঘবদ্ধ চক্র। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোসাঃ তানিয়া আহম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে পুলিশ আসামি ড্রাইভার মোঃ কবির হালদার, মোঃ সাকিব হোসেন, মোঃ ছাহাদ ইমরান হোসেন মোহনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ১ নম্বর আসামি আল আমিন ওরফে জিতুকে অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে স্বীকার করেন।

এঘটনায় ফতুল্লা থানা পুলিশ ও মামলার আয়ু মোহাম্মদ রফিক জানান, চার্জশিট রেডি করা হয়েছে মামলার আসামি জিতু এবং বাবুকে ধরা যাচ্ছে না। মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হলে ওয়ারেন্ট হয়ে যাবে। আমরা গ্রেপ্তারের কার্যক্রমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে।

এদিকে, আলোচিত এই অপহরণ মামলার প্রধান আসামিরা এখনও গ্রেফতারের বাইরে থাকায় ব্যবসায়ী মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও মূল পরিকল্পনাকারীদের আইনের আওতায় আনা না যাওয়ায় ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV