পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি (বগুড়া-২) দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় খাতকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।
রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেলে সমালোচনা, গুজব কিংবা বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে সচেতন মহল মনে করে, কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করতে হলে তা অবশ্যই তথ্য-প্রমাণ ও বাস্তবতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা কিছু অনির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রচারিত বক্তব্যকে যাচাই-বাছাই ছাড়া সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। গণতান্ত্রিক সমাজে গঠনমূলক সমালোচনার গুরুত্ব থাকলেও মিথ্যা তথ্য, অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো কখনোই কাম্য নয়।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও পল্লী উন্নয়নের ধারাবাহিক অগ্রগতির পেছনে নেতৃত্বের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বা কোনো জনপ্রতিনিধির সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন প্রচারণা চালানো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তারা আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার কর্ম, সততা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপের ভিত্তিতে। সমালোচনা অবশ্যই তথ্যভিত্তিক, গঠনমূলক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বক্তারা মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্য ও তথ্যনির্ভর মূল্যায়নই সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর। তারা প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে যেকোনো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।