শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। গোটা ম্যাচে রক্ষণভাগ ছিল সুসংগঠিত, মাঝমাঠে ছিল ছন্দময় পাসিং এবং আক্রমণে ছিল ধার। সেই ধারার নেতৃত্ব দেন মেসি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ৬৬তম মিনিটে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি হলেও আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান দুর্দান্ত সেভ করে তাকে থামিয়ে দেন।
তবে শেষ পর্যন্ত আর হতাশ হতে হয়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণে মাঝমাঠ থেকে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে বাঁদিকে পাস দেন, এরপর ওয়ান-টু আদান-প্রদানের মাধ্যমে আবার বল ফিরে পান। বক্সের বাইরে থেকে এক নিখুঁত সাইডফুট শটে গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে বল জালে জড়িয়ে পূর্ণ করেন বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের স্মরণীয় হ্যাটট্রিক।
এই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নতুন গোলের রেকর্ড গড়েন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে নিজের কিংবদন্তি মর্যাদাকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে যান তিনি।
ম্যাচের শেষ দিকে ছয় মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করা হলেও ব্যবধান আর বদলায়নি। আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।