কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসীর মৃত্যুতে নিজ গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের হারিয়ে স্বজনরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মরদেহ দ্রুত দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন কানাইঘাটের আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমদ। স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান নিয়ে ছিল তার সংসার। তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও অনিশ্চয়তা।স্বজনরা জানান, পরিবারের দায়িত্ব ছিল একমাত্র তার কাঁধেই। এখন তার অনুপস্থিতিতে ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
স্বজনরা জানান, পরিবারের দায়িত্ব ছিল একমাত্র তার কাঁধেই। এখন তার অনুপস্থিতিতে ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

একই অবস্থা পাশের গ্রামের জসিম উদ্দিনের। প্রায় ৯ বছর ধরে তিনি প্রবাসে ছিলেন। ধার-দেনা করে বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন তিনি, দুই মাস পর দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান শাকিল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দ্রুত দেশে আনার চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার স্থানীয় সময় সকালে কাতারের আল শাহানিয়া এলাকায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।