1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
৩৪ দিন ধরে ভাসছি ‘জাহাজে গম নিয়ে, খালাস কবে জানি না’ - JTV
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাবতলী হাটে সন্তোষজনক পরিবেশ, নিরাপত্তায় কড়া নজরদারি: মীর শাহে আলম র‌্যাবের ওপর সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চুক্তির সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসকে যুক্ত করলেন ট্রাম্প লাব্বাইক লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাত ময়দান তীব্র গরম ও বজ্রঝড়ের শঙ্কা, হুমকিতে ২০২৬ বিশ্বকাপ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকের চাপ, বাড়ছে যানজট ও ভোগান্তি আজ পবিত্র হজ কমলাপুর রেল স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, পাঁচ ট্রেন বিলম্বে যাত্রী ভোগান্তি শিবগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তা ও মেধাবীদের সংবর্ধনায় প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল থেকে বেরিয়েও ঈদে বাড়ি ফেরা হয় না সবার বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্দেশ ‘বিদ্রোহী’ কবির জন্মদিন উদ্‌যাপন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী

৩৪ দিন ধরে ভাসছি ‘জাহাজে গম নিয়ে, খালাস কবে জানি না’

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৯৯ বার পঠিত

দুপুর সাড়ে ১২টা। কর্ণফুলী নদীতে একে একে লাইটার জাহাজের কাগজপত্র যাচাই করছিলেন বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন। বন্দরের দিশারী-৬ নামের পাইলট জাহাজে চড়ে অভিযান পরিচালনা করছিলেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন এ চিত্র দেখা যায়।

অভিযানে কর্ণফুলী নদীর সদরঘাটে নোঙর করে রাখা ‘এমভি আল আসওয়াদ-২’ জাহাজের পাশে ভেড়ানো হয় পাইলট জাহাজটি। এ সময় এমভি আল আসওয়াদ-২ জাহাজের মাস্টার নজরুল ইসলামের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানতে চান, কত দিন ধরে জাহাজটি এখানে আছে? নজরুল ইসলাম ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান, ‘জাহাজে গম নিয়ে ৩৪ দিন ধরে ভাসছি। আমদানিকারক খালাস করছে না। খালাস কবে জানি না।’

ম্যাজিস্ট্রেট অবাক হয়ে জানতে চান, কেন খালাস হচ্ছে না? জাহাজের মাস্টার জবাব দেন, ‘গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সাগরে একটি বড় জাহাজ থেকে প্রায় ১ হাজার ৯০০ টন গম নিয়ে এখানে নোঙর করে আছি। তারা (আমদানিকারক) যখন বলবে, তখনই খালাস হবে।’

পাশে থাকা এমভি আল-ওয়াহাব নামের আরেকটি জাহাজেও একই চিত্র পান ম্যাজিস্ট্রেট। আল-ওয়াহাব জাহাজের সুকানি রবিউল হোসেন ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন, ‘সাগরে বড় জাহাজ থেকে ২ হাজার ৪০০ টন গম নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর সদরঘাটে নোঙর করি। আমদানিকারক এখনো গম খালাস করেনি। আমদানিকারক কোনো ব্যবস্থা না নিলে আমাদের কিছুই করার নেই।’

খালাস না করে আটকে থাকা আল-ওয়াহাব জাহাজকে ১৫ জানুয়ারি ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিলেন বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তাৎক্ষণিকভাবে দুই জাহাজের মাস্টারকে সতর্ক করেন ম্যাজিস্ট্রেট। দ্রুত খালাসে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তাঁদের।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন সাংবাদিকদের জানান, সাগরে বড় জাহাজ থেকে বোঝাই করার পর তিন দিনের বেশি অবস্থানের সুযোগ নেই। এখানে এক মাসের বেশি সময় ধরে তারা অবস্থান করছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো আমদানিকারক যেন দিনের পর দিন লাইটার জাহাজে পণ্য রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে জন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া বন্দরের উপপরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমান বলেন, রোজার আগে কেউ যাতে লাইটার জাহাজে পণ্য মজুত করতে না পারেন, সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সে জন্য বন্দরের এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, দিনভর অভিযানে ৯টি লাইটার জাহাজকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV