“দারুল ইশক্ হুসাইনিয়া খানকা শরীফ” এর আয়োজনে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে ১০ দিনব্যাপী পানি বিতরণ কর্মসূচি
মহররম মাসে কারবালার প্রান্তরে হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবারকে পানি থেকে বঞ্চিত করার ঐতিহাসিক স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও সওয়াবের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা একটি অত্যন্ত পুণ্যময় ও সহানুভূতিশীল কাজ। কেননা, কারবালার যুদ্ধে ইয়াজিদ বাহিনীর দ্বারা ফোরাত নদীর তীর অবরুদ্ধ করে হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্য ও শিশুদের তৃষ্ণার্ত রাখা হয়েছিল। সেই আত্মত্যাগের স্মরণে এবং ইসলামে পানি পান করানোর অশেষ সওয়াব অর্জনের জন্য বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ মহররম মাসে বিশুদ্ধ পানি, শরবত বা দুধের শরবত বিতরণ করে থাকে।
সে লক্ষ্যে, শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে দারুল ইশক্ হুসাইনিয়া খানকা শরীফের আয়োজনে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে ১০ দিনব্যাপী পানি বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে আজ থেকে। পানি বিতরণ কর্মসূচি চলবে টানা ১০দিন।
আজ বুধবার (১৭ জুন) পহেলা মহররম সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের উকিলপাড়াস্থ ফুল কুটির ভবনের সামনে ও বিভিন্ন স্পটে এক যোগে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা শুরু হয়। এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি–এর পরিচালক, মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মীম শরৎ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ।
ইমাম হুসাইন (রা:), তাঁর পরিবার ও ইসলামের জন্য কারবালার প্রান্তরে শহীদের মহান আত্মত্যাগ স্মরণে প্রতি বছরের মতো এবারও এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, প্রথম মহররম থেকে দশ মহররম পর্যন্ত টানা দশ দিন পর্যন্ত তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হবে। প্রতিদিন এক হাজার জনের মাঝে পানি বিতরণ করা হবে। এতে মোট দশ হাজার জন তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি পানি পান করে তৃষ্ণা মিটাতে পারবে।