বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষা বিস্তারে মীর শাহে আলমের অবদান দীর্ঘদিনের। ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন এবং সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বা নামাঙ্কিত উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ২০০৪ সালের বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয়, ২০১২ সালের তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০১৩ সালে নামকরণ হওয়া শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, একই বছরে প্রতিষ্ঠিত বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট।
এছাড়া ২০২৩ সালে বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়, কিচক মীর শাহে আলম কলেজ এবং ২০২৫ সালে বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা বা নামাঙ্কনের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষা-উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকালই প্রমাণ করে, শিবগঞ্জে শিক্ষা বিস্তারে মীর শাহে আলমের সম্পৃক্ততা কোনো সাম্প্রতিক বিষয় নয়। বরং এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত, ব্যক্তিগত অর্থায়নভিত্তিক এবং ধারাবাহিক সামাজিক উদ্যোগের ফল।
স্থানীয়দের মতে, গ্রামীণ জনপদে সাধারণ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য ও ভেটেরিনারি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে মীর শাহে আলম এলাকার শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।