নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় আটকে থাকলেও অতিরিক্ত সময়ে আর ভুল করেনি আর্জেন্টিনা। যদিও ১০ জনের সুইস দুর্গ ভাঙতে ১১২ মিনিট পর্যন্ত সংগ্রাম করতে হয়ে আলবিসেলেস্তেদের।
এরপর হুলিয়ান আলভারেজের চোখ ধাঁধানো গোল ও লাউতারো মার্তিনেজের হানায় সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে লিওনেল মেসিরা। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।
রোববার (১২ জুলাই) কানসাস সিটির কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমার্ধে মেসির কর্নার থেকে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ড্যান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড। এরপর ভিএআরের সিদ্ধান্তে ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও ১০ জনের সুইসদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। থিয়াগো আলমাদা, লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরো সুযোগ পেলেও দুর্দান্ত গোলরক্ষণের প্রদর্শনীতে সুইসদের ভরসা হয়ে থাকেন গ্রেগর কোবেল।
অবশেষে ১১২ মিনিটে জোসে ম্যানুয়েল লোপেসের পাস থেকে বক্সের বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে ডান পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি বিশ্বকাপে এটিই ছিল তার প্রথম গোল, আর তাতেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
গোলের পর মরিয়া হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড। তবে ১১৬ মিনিটে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ গুরুত্বপূর্ণ এক সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে জয়ের সিলমোহর দেয় আর্জেন্টিনা। লাউতারো মার্তিনেজের শুরু করা আক্রমণে আলমাদার শট কোবেল ঠেকালেও ফিরতি বলে সহজেই জালে পাঠান লাউতারো। তাতে ৩-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার জয়।
এই জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে লিওনেল স্কালোনির দল। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দলই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল।