1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
নির্বাচনের আগেই প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ - JTV
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাবতলী হাটে সন্তোষজনক পরিবেশ, নিরাপত্তায় কড়া নজরদারি: মীর শাহে আলম র‌্যাবের ওপর সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চুক্তির সঙ্গে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসকে যুক্ত করলেন ট্রাম্প লাব্বাইক লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাত ময়দান তীব্র গরম ও বজ্রঝড়ের শঙ্কা, হুমকিতে ২০২৬ বিশ্বকাপ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকের চাপ, বাড়ছে যানজট ও ভোগান্তি আজ পবিত্র হজ কমলাপুর রেল স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, পাঁচ ট্রেন বিলম্বে যাত্রী ভোগান্তি শিবগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তা ও মেধাবীদের সংবর্ধনায় প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল থেকে বেরিয়েও ঈদে বাড়ি ফেরা হয় না সবার বিতর্কের মুখে ট্রাম্পের নাগরিক তালিকা, গড়াল আদালতে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্দেশ ‘বিদ্রোহী’ কবির জন্মদিন উদ্‌যাপন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনের আগেই প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১২২ বার পঠিত

দেশের বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক; এছাড়া ২৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদও ফাঁকা।

ফলে শিক্ষক সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যমান শিক্ষক–সংকট শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতিকে প্রকট করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলা, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা, নিয়োগ পরীক্ষায় দেরি, পদোন্নতিতে ধীরগতির কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে সব সংকট কাটিয়ে উঠে নির্বাচনের আগেই ১৪ হাজার বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকের এসব পদ শূন্য থাকায় প্রভাব পড়েছে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমেও। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক বিদ্যালয়ে এক থেকে তিনজন শিক্ষক দিয়েও চলছে বিদ্যালয়ের ক্লাস পরীক্ষা।

এ সংকট কাটাতে নির্বাচনের আগেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। স্বল্প সময়ে আবেদন নিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ শেষে এবার দ্রুত ফল প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে তিন জেলায় মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই চূড়ান্তভাবে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের।

সংস্থাটির দেওয়া তথ্যের মতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ৬৫ হাজার ৪৫৭টি পদের বিপরীতে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৩টি পদের মধ্যে ২৪ হাজার ৫৩৬টি পদ শূন্য। আর মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলোর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫টি পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো এমনিতেই চলছে।

অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া তাদের নিয়মিত কাজ। জাতীয় নির্বাচন বা অন্য কোনো কিছুর কারণে নিয়োগ আটকে রাখার সুযোগ নেই। শিক্ষক সংকট কাটিয়ে উঠতে তারা স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট ব্যাপক। ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। আরো যে ৩২ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের পদোন্নতি দিলে পদগুলো খালি হয়ে যাবে। তখন আরো ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষক সংকট কাটাতে নিয়োগপ্রক্রিয়া গতিশীল করা হয়েছে। নির্বাচনের সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তফসিলের পর এ ধরনের নিয়োগে যে কোনো বাধা আছে, তাও নয়। এটা (নিয়োগ) আমাদের নিয়মিত কাজ। নির্বাচন বা অন্য কোনো কারণে এটা আটকে রাখার কথা নয়।

শিক্ষক সংকট নিরসন প্রসঙ্গে সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই এই সমস্যার নিরসন হবে।

প্রাথমিক অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ নভেম্বর প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপ এবং ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রথম ধাপে ৮ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন প্রক্রিয়া চলে। এরপর ২ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারিখ পিছিয়ে গত ৯ জানুয়ারি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এরপর ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এরই মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দেশের তিন জেলায় মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গত রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও বরিশাল জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষার এই সময়সূচি জানায়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে অন্য জেলাগুলোতেও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীদের সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে। নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত না হলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলবে না বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV