রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংসদ অধিবেশন শেষে রাতেই আকস্মিক ক্লিন-আপ ড্রাইভ পরিচালনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। অভিযানে দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণের দায়ে ১০ ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রতিমন্ত্রী সরাসরি শাহবাগ এলাকায় পৌঁছে পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভিন্ন দোকানের সামনে দীর্ঘসময় ধরে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দোকানের সামনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের মাঝে ঝুড়ি ও পলিথিন বিতরণ করা হয় এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানানো হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেখানে অপরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা, সচিব জয়নাল আবেদীন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে বিনতে ফেরদৌসসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।