1. admin@jtv.news : admin :
পরাজিত হলেন যারা আলোচনায় থেকেও - JTV
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তেল পাচার ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজপথের সংগ্রাম থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে: মীর শাহে আলমের অনন্য রাজনৈতিক যাত্রা সফল শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এখন খাদ্য, কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জ্বালানি তেল সংকটের আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন আমেরিকার তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন

পরাজিত হলেন যারা আলোচনায় থেকেও

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে অনেক আসনে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে পরাজয় বরণ করেছেন বিভিন্ন দলের অনেক প্রার্থী। এসব প্রার্থীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় সবচেয়ে আলোচনায় ছিল রাজধানীর ঢাকা-৮ আসন। এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রচারণার সময় বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় আসেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মির্জা আব্বাসের সমালোচনা করে এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করে দেশের মানুষের মন কেড়ে নেন তিনি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ভোররাত ৪টার দিকে এ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে দেশের নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচনায় থাকা ঢাকা-৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পাঁচ হাজার ভোটে হারিয়ে মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

সারজিস আলম

জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় ছিলেন সারজিস আলম। হেরে গিয়েও রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সারজিস আলম। পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সম্পাদক সারজিস আলম শাপলাকলি প্রতীকে পান ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।

তাসনীম জারা
জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ক্লিন ইমেজের অধিকারী এনিসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনীম জারা বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় ছিলেন। তবে জামায়াত জোটে এনসিপি প্রবেশ করায় তিনি পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। ঢাকা-৯ আসনে হাবীবুর রহমানের বিপক্ষে পরাজয় বরণ করেন তাসনীম জারা। এ আসনে তিনি ফলাফলের দিক থেকে তিন নম্বরে ছিলেন।

মামুনুল হক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত মাওলানা মামুনুল হকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। এ আসনে আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের নেতা মামুনুল হক। আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকে বিনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। অপরদিকে ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট পেয়েছেন মামুনুল হক। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩২০। যদিও ভোর রাতে মাওলানা মামুনুল হক নির্বাচনের ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।


আমিনুল হক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আমিনুল হক। তিনি বিগত সময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন সরব। জেল-জুলম নির্যাতনের পাশাপাশি জনপ্রিয়তার কারণে জয়ের ব্যাপারে ছিলেন আশাবাদী। তবে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে তিনি পরাজিত হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন মোট ভোট পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৩টি। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। হেবিওয়েট হয়েও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া–ফুলতলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি) এর নিকট ২ হাজার ৭০২ ভোটে পরাজিত হন। ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ২ হাজার ৭০২।

মোহাম্মদ শিশির মনির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে সবেচেয়ে ক্লিন ইমেজ ও জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও হেরে গিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জৌষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। নেটিজেনদের ধারণা ছিল জামায়াতের একজন প্রার্থী জয় হলে সেটি হবে শিশির মনির। কিন্তু বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে ৩৯ হাজার ৯৩২ ভোট বেশি পেয়ে বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী জয় লাভ করেছেন। বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট।

হামিদুর রহমান আজাদ

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ হেরে গেছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ৩৫ হাজার ৬২৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১২৪ কেন্দ্রের ফলাফলে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট।

জিএম কাদের

রংপুর-৩ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)। তিনি পেয়ছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। আর লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট।

মাহমুদুর রহমান মান্না

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি। কেটলি প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ৪২৬। ফলে তিনি জামানত হারিয়েছেন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়েছেন।

হারুনুর রশীদ হারুন

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নুরুল ইসলাম বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV