পঞ্চাশ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে প্রথমবারের মতো সরকার পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিন মাসের মাথায় সরকারের অভ্যন্তরে জোর আলোচনা— মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়াবেন সরকার প্রধান। এমনকি রদবদল আসবে মন্ত্রীদের দফতরে। যদিও এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি মন্ত্রিসভার বর্তমান সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, এটা কোনো বিচিত্র ব্যাপার না, খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। মানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু তার মানে এই না যে, এটা হবেই বা এখন হবে কিংবা তখন হবে। এগুলো নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা একমাত্র বোধয় প্রধানমন্ত্রীর আছে। তিনি যখন উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তখন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন বা কারও থেকে দায়িত্ব নিয়ে নিতে পারেন।

মন্ত্রিপরিষদে কারা যুক্ত হতে পারেন, সেই আলোচনায় আছেন সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত আসনের সেলিমা রহমান এবং টেকনোক্রেট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমান।
উল্লেখ্য, অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে।