মানবিক সহায়তায় স্বস্তি, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে ২০০০ অসহায়, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, মুস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং স্টারর্কট্রাক গ্রুপের গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ নগরীর হুঁশিয়ারী সমিতির মাঠে আয়োজিত ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব উপহার তুলে দেন। রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক সজল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আমার বাবা মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনে পক্ষ থেকে সব সময় অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি এই সহায়তা পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭ টি ওয়ার্ডে করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন সেবামূলক সহায়তা গুলো করা হবে যা কিনা মানুষের উপকারে আসে।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশে অসহায়, গরিব ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, যা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।
তার এই মানবিকতা ও জনগণের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা দেখে আমরাও উদ্বুদ্ধ হই—মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কিছু করার চেষ্টা করতে। তার আদর্শ থেকেই আমরা স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ার।আমরাও চেষ্টা করছি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করে কিছুটা হলেও তাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছি। এই ছোট ছোট উদ্যোগই আমাদের গর্ব, আমাদের অনুপ্রেরণা।
সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন ভবিষ্যতেও আমরা এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারি।
ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
উপহার পেয়ে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এই সহায়তা তাদের ঈদের আনন্দকে আরও পরিপূর্ণ করে তুলেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে, যা একটি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।