1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারেও - JTV
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন আগামী মাসে, মিলবে ১০টি বিশেষ সুবিধা যত বাধাই আসুক, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা হাবে পরিণত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ঘিরে অপপ্রচার, ভুয়া তথ্য-ডিপফেক ছড়াচ্ছে সংঘবদ্ধ চক্র ফাইনালের আকর্ষণ মেসি-ইয়ামাল দ্বৈরথ দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়ের আভাস নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আলী নির্বাচিত পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে বিডি ক্লিন: মীর শাহে আলম মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে ইরানের হামলা আর্জেন্টিনা-স্পেনের মুখোমুখি পরিসংখ্যান কী, সবশেষ দেখায় জিতেছিল কোন দল? শেষের ম্যাজিকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণই সফলতার চাবিকাঠি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে দুরন্ত স্পেন

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারেও

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৯ বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারে। আমদানি করা সবধরণের মশলার দাম বেড়েই চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলসি খোলা ও আমদানির পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। কিন্তুৃ পাইকাররা বলছেন, বাজারে যোগানোর সংকট নেই। তবে ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামেই।

মূলত বাংলার রসনা বিলাসে মসলার বিকল্প নেই। কাচ্চি বিরিয়ানি কিংবা গরুর মাংস, জিরা-এলাচ ছাড়া এর স্বাদ অপূর্নই থেকে যায়। আলু বোখরা, বাদাম যেন রান্নার স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলে। সেমব মশলা সামগ্রীর দাম বেশ বেড়েছে।

বাজারে আলু বোখরার দাম ৪৫০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেস্তা বাদামের জন্যে বাজেট রাখতে হচ্ছে কেজিতে ৪২০০ টাকা। রান্নায় ব্যবহৃত অন্যতম উপকরণ জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫৭০-৮৫০ টাকায়।

পাইকারি বিক্রতাদের দাবি— সরবরাহের ঘাটতি নেই, তবে আমদানিকারকেদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। দোকানীরা বলছেন, পাইকারী বাজার বেশ চড়া যার প্রভাব পড়ছে খুচরা পর্যায়ে।

চাহিদার তুলনায় দেশে মশলা কম উৎপাদন হয়। তাই প্রতি বছর ৭ লাখ ম্রেটিক টন মশলা বিদেশ থেকে আনতে হয়। যুদ্ধের কারণে মশলা আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এলসি খোলার হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ বৃদ্ধি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশে মশলার আমদানি কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV