1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারেও - JTV
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার: রিজভী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী শিশু হাসপাতালের কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারেও

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩১ বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারে। আমদানি করা সবধরণের মশলার দাম বেড়েই চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলসি খোলা ও আমদানির পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। কিন্তুৃ পাইকাররা বলছেন, বাজারে যোগানোর সংকট নেই। তবে ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামেই।

মূলত বাংলার রসনা বিলাসে মসলার বিকল্প নেই। কাচ্চি বিরিয়ানি কিংবা গরুর মাংস, জিরা-এলাচ ছাড়া এর স্বাদ অপূর্নই থেকে যায়। আলু বোখরা, বাদাম যেন রান্নার স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলে। সেমব মশলা সামগ্রীর দাম বেশ বেড়েছে।

বাজারে আলু বোখরার দাম ৪৫০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেস্তা বাদামের জন্যে বাজেট রাখতে হচ্ছে কেজিতে ৪২০০ টাকা। রান্নায় ব্যবহৃত অন্যতম উপকরণ জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫৭০-৮৫০ টাকায়।

পাইকারি বিক্রতাদের দাবি— সরবরাহের ঘাটতি নেই, তবে আমদানিকারকেদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। দোকানীরা বলছেন, পাইকারী বাজার বেশ চড়া যার প্রভাব পড়ছে খুচরা পর্যায়ে।

চাহিদার তুলনায় দেশে মশলা কম উৎপাদন হয়। তাই প্রতি বছর ৭ লাখ ম্রেটিক টন মশলা বিদেশ থেকে আনতে হয়। যুদ্ধের কারণে মশলা আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এলসি খোলার হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ বৃদ্ধি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশে মশলার আমদানি কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV