1. admin@jtv.news : admin :
  2. fansporosh@gmail.com : Raja Saleh : Raja Saleh
সমুদ্রবন্দরে বেসরকারি খাতকে জেটি-টার্মিনাল নির্মাণের সুযোগ দিচ্ছে সরকার - JTV
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার: রিজভী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী শিশু হাসপাতালের কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার: আইনমন্ত্রী হুতিদের ‘বাড়াবাড়ি’, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

সমুদ্রবন্দরে বেসরকারি খাতকে জেটি-টার্মিনাল নির্মাণের সুযোগ দিচ্ছে সরকার

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১৫৫ বার পঠিত

দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণ, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ‘বেসরকারি জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণ, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নীতিমালাটি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

খসড়া নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯৩ শতাংশই সমুদ্রবন্দরনির্ভর। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বাড়ছে, ফলে বন্দরে পণ্য খালাস ও পরিবহনে চাপও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা হলে সেবা আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ৪৩.৯৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি এবং ৬৪.৩৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। একই সময়ে দেশের বন্দরগুলো প্রায় ৩০ লাখ টিইইউ কনটেইনার, ১০৫ মিলিয়ন টন কার্গো এবং সাড়ে ৪ হাজার জাহাজ হ্যান্ডল করেছে।

বর্তমানে বন্দরের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অনেক সময় জট সৃষ্টি হয়, ফলে পণ্য খালাসে বিলম্ব হয় এবং শিল্পকারখানায় কাঁচামাল পৌঁছাতে দেরি হয়। এই সমস্যা সমাধানে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বন্দরের সীমানার ভেতরে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা জেটি ও টার্মিনাল স্থাপন করতে পারবেন। এজন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এ ধরনের জেটি ও টার্মিনাল পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত অপারেশন সিস্টেম অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ লাখ টাকা, যা অফেরতযোগ্য। অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে সরকারের কাছে এক কোটি টাকা জামানত জমা দিতে হবে। পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ট্যারিফ শেয়ারিং চুক্তির মাধ্যমে আয়ের অংশ নির্ধারণ করা হবে।

বন্দর খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রতিযোগিতা বাড়বে, সেবার মান উন্নত হবে এবং সার্ভিস চার্জ কমে আসতে পারে। তবে দায়িত্ব প্রদান প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

বর্তমানে দেশে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা—এই তিনটি সমুদ্রবন্দর চালু রয়েছে। এছাড়া মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণাধীন, যা চালু হলে দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV