ব্যবসায়ীদের সংগঠন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর পরিচালক এবং মীম শরৎ গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্বনামধন্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও দেশের হতে যাওয়া ১৩ তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে।

এক আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বার্তায় আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং শিল্প-বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তারেক রহমানের নেতৃত্ব সময়োপযোগী ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ একটি আধুনিক, উন্নত ও বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে আরও এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা অত্যন্ত জরুরি। আমি বিশ্বাস করি, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি খাত সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

ব্যবসায়ী সমাজের একজন প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ উল্লেখ করেন, দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নীতি সহায়তা, সহজ ঋণপ্রাপ্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আশা করেন, আগামীর সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে এবং দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সম্ভব। অবকাঠামো উন্নয়ন, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসার এবং রেমিট্যান্স খাতের উন্নয়নে সুসংহত পরিকল্পনা গ্রহণ করলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে।
আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ তার শুভেচ্ছা বার্তায় তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল রাষ্ট্রনেতৃত্ব কামনা করেন। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ঐক্য, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই হবে আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ—এবং সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন নেতৃত্ব সফল হবেন বলেই তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নেতৃত্বের এই নতুন অধ্যায়ে দেশের ব্যবসায়ী সমাজ ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।