মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে আনা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) সকালে তাদের কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে এনে হাজতখানায় রাখা হয়।
এদিন অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও এ কাজে সহায়তার অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবেন।
ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আদালতে তদন্তকালে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এসব আলামত সাক্ষীদের মাধ্যমে শনাক্ত করিয়ে নথিভুক্ত করা হয়। ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
সাক্ষীরা হলেন- রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম এবং তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা সোহেল ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। আর সেদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।