1. admin@jtv.news : admin :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি - JTV
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজপথের সংগ্রাম থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে: মীর শাহে আলমের অনন্য রাজনৈতিক যাত্রা সফল শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এখন খাদ্য, কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জ্বালানি তেল সংকটের আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন আমেরিকার তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ইফতারে ব্যবসায়ী-রাজনীতিক-প্রশাসনের মিলনমেলা রমজানের মাগফিরাত পেরিয়ে নাজাতের পথে: নিরাপদ ঈদযাত্রা ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়ার আহ্বান, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের মিত্ররা কোথায়? কেন দূরত্ব বজায় রাখছে রাশিয়া-চীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে প্রণয় ভার্মার বৈঠক রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ এমপি মিলনের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৯ বার পঠিত

 

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।

অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে। সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মামলা বা আইনি কার্যধারা চলমান থাকলে তা পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করবে।’

গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে, ১৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়, এই বিধান সত্ত্বেও কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন এই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে যে ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সে ক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীর বর্তমান বা পূর্বে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারবেন না। তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেফতার বা হেফাজতে নেয়ার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে আগে কমিশনের অনুমোদন নেবেন।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়, যে ক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে অভিযোগে উল্লিখিত কার্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, সেই ক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রতিবেদন জমা দেবে। এরপর আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদন সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।

এছাড়া, কমিশনের তদন্তে যদি প্রতীয়মান হয় যে অভিযোগে উল্লিখিত কার্য রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সে ক্ষেত্রে কমিশন মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে আদেশ দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কোনো আদালতে সংশ্লিষ্ট কার্য–সম্পর্কিত কোনো মামলা করা যাবে না কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© Jeba Television  স্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ Jeba Television ©
Theme Customized By JTV