ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মাসব্যাপী চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া রোধ করতে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের তৎপরতা জোরদার করেছেন। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান ও কাতার ইরানে বিশেষ প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে বলে গত শুক্রবার
রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনায় মস্কো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু নিজেদের পরিষেবা চাপিয়ে দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনা সফল হতে ‘আরও সময়’ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কাতার। মঙ্গলবার (১৯ মে) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, কয়েকটি আরব দেশের অনুরোধে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত নতুন সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ
ইরানকে ফের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের চলমান সংঘাত নিরসনে আলোচনা যখন বারবার স্থবির হয়ে পড়ছে, তখনই নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন তিনি। স্থানীয় সময়
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এখনও বেশ কিছুদিন বাকি থাকলেও এরই মধ্যে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে দুটি মুসলিম দেশ। তিউনিসিয়া ও তুরস্ক জানিয়েছে, তাদের দেশে আগামী সোমবার (১৮ মে) থেকে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে ইরান এবং এই নীতিতে তাদের কোনো পরিবর্তন নেই। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো ‘আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা’ নেই। ইরানের মতে, এই সমুদ্রসীমা শুধু ইরান
বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের কাছে বড় ধরনের বিমান বিক্রির চুক্তি করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৫ মে) চীনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন। সফরের শুরুতে শি জিনপিংকে ‘মহান নেতা’ হিসেবে অভিহিত