ফিলিস্তিনের গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–ঘোষিত ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসরসহ সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। গতকাল বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো এ সিদ্ধান্তের কথা
গ্রিনল্যান্ড দখলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে সমর্থন না করায় ইউরোপের আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রেক্ষিতে আমেরিকার বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগী হল ইউরোপীয়
ফিলিস্তিনের গাজায় অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদে’ ভারত ও পাকিস্তানকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে ১১ জন আরোহীসহ নিখোঁজ হওয়া একটি মৎস্য নজরদারি বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির ভগ্নাংশ দেখা গেলেও এখনো আরোহীদের
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন যে দেশটির বর্তমান তরুণ প্রজন্ম বা ‘জেন-জি’ বিজেপির উন্নয়নমুখী রাজনীতিতে গভীরভাবে বিশ্বাসী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গের মালদায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে স্বীকার করেছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক ভাষণে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যার
গ্রিনল্যান্ড কেনার লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের যে হুমকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা।
ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার টনি ব্লেয়ারকে গাজার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত ‘শান্তি বোর্ডের’ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছে। খবর বিবিসির। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট
থাইল্যান্ডে আবারও একটি নির্মাণ ক্রেন ভেঙে পড়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশটির রাজধানী ব্যাংককের কাছে সামুত সাখোন প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, উড়াল সড়কের নির্মাণকাজে
ইরানে বিক্ষোভ ইস্যুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায় থেকে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি অব্যাহত রয়েছে। কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে