টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জেলা স্টেডিয়ামে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। সেখানে তিনি কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধনসহ একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২২ মিনিটের দিকে জেলা স্টেডিয়ামে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক
কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে রওনা হন তিনি। সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে প্রথমে
‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার পর এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। এবার শোভাযাত্রায় পাঁচটি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে।
রথবাড়ি হরিবাসরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভালবাসায় সিক্ত প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম বলেছেন, বাংলাদেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সব ধর্মের মানুষের মিলিত আবাসভূমি। এখানে প্রত্যেক
জাতীয় সংসদে ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন আরও বড় আকার ধারণ
জুলাই বিপ্লবকে ধারণ করলে গণভোটকে বিনা বাক্যব্যয়ে এবং বিনা তর্কে মেনে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, এটাই জনগণের অভিপ্রায়। জনগণ ৭০ শতাংশ ভোট
জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বর্তমান সরকার পার পাবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সংসদের বর্তমান অবস্থাকে ‘জুলাই প্রোডাক্ট’ হিসেবে অভিহিত করে
আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো খড়গ নামবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, রাজস্ব শৃঙ্খলা আনতে আমাদের করের আওতা বাড়ানো দরকার। এই করের আওতা